প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস ভোট পাওয়ার জন্য আবার লক্ষীর ভান্ডারের টাকা ৫০০ করে বৃদ্ধি করেছে। সাধারণ মানুষ তো বটেই, বিরোধীরাও সেটা খুব ভালো মতই বুঝতে পেরেছেন। আর এই পরিস্থিতিতে ভাতা, ভর্তুকি দিয়েই যে রাজ্য পরিচালনা করতে চাইছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ভোট নেওয়ার একটা ফর্মুলা তৈরি করে ফেলেছেন, তা বুঝতে বাকি নেই সমালোচকদের। তাই তার ভাতার সুবিধা নেওয়ার পাশাপাশি তার বিরুদ্ধেই যাতে সাধারন মানুষ ভোট দেন, তার আহ্বান জানাচ্ছেন বিজেপি নেতারা। তবে যেদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার এই ঘোষণা করেছিলেন লক্ষ্মীর ভান্ডারের টাকা বৃদ্ধি করার, ঠিক সেই দিনই পাল্টা ঘোষণা করে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পরেই মহিলাদের অ্যাকাউন্টে তিন হাজার টাকা করে দেওয়া হবে বলে জানিয়ে দেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। অবশেষে আবারও প্রকাশ্য মঞ্চ থেকে সেই কথা জানিয়ে দিলেন তিনি।
২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে রীতিমত সরগরম রাজ্য রাজনীতি। ইতিমধ্যেই অন্তর্বর্তী বাজেটে লক্ষীর ভান্ডারের ৫০০ টাকা বৃদ্ধি করার কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে তার এই ঘোষণা নিয়েও প্রশ্ন রয়েছে বিরোধীদের মধ্যে। এই সামান্য টাকা দিয়ে তিনি ভোট নেওয়ার চেষ্টা করছেন বলেই দাবি করছেন বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতা নেত্রীরা। এমনকি সাধারণ মানুষের মধ্যেও একটা ধারণা তৈরি হয়েছে যে, এই সরকার চাকরি দেবে না। বরঞ্চ ভাতা, ভর্তুকি দিয়েই তারা মানুষকে ভুলিয়ে রাখার চেষ্টা করবেন। তবে সেই জায়গা থেকে সাধারণ মানুষকে বের করে আনতে লক্ষ্মীর ভান্ডারে টাকা বৃদ্ধির ঘটনার দিনেই পাল্টা ঘোষণা করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আবারও তিনি প্রকাশ্য সভাকে জানিয়ে দিলেন যে, বিজেপির মধ্যে একেবারে বৈঠক করেই তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, দল ক্ষমতায় এলে তারা মহিলাদের অ্যাকাউন্টে দেড় হাজার টাকা নয়, বরঞ্চ তিন হাজার টাকা করে দেবেন।
গতকাল বিজেপির শক্তি স্বরূপা সম্মেলন আয়োজিত হয়। আর সেখানেই বক্তব্য রাখতে গিয়ে বড় ঘোষণা করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। প্রকাশ্য মঞ্চ থেকে তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের মা, বোন, দিদিদের বলবেন, আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি। সংকল্প পত্রে থাকবে। ভারতীয় জনতা পার্টি সিদ্ধান্ত নিয়েছে, এপ্রিল মাসের শেষে সরকার হলে পয়লা মে আমরা তিন হাজার টাকা করে দেবো। আর মে মাসে সরকার হলে পয়লা জুন আমরা অ্যাকাউন্টে ৩ হাজার টাকা পাঠাবো। আমি, রাজ্য সভাপতি, আমরা সকলে মিলে বসে সিদ্ধান্ত নিয়েছি। তাই এটা সংকল্পপত্রে থাকবে।”