প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে আজ এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে চলেছে। দীর্ঘ ১৫ বছরের তৃণমূলী অপশাসন আর দুর্নীতির অবসান ঘটিয়ে নবান্নের দখল নিতে চলেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের গণনার শুরু থেকেই গ্রাম থেকে শহর— সর্বত্রই পদ্ম শিবিরের জয়জয়কার।

গণনার প্রাথমিক ট্রেন্ড বলছে, বিজেপি ইতিমধ্যেই ১৫০-র বেশি আসনে এগিয়ে রয়েছে, যা সরকার গড়ার জন্য প্রয়োজনীয় ১৪৮-এর জাদুকরী সংখ্যার চেয়ে বেশি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস গত নির্বাচনের তুলনায় অর্ধেকেরও কম আসনে কোনোমতে টিকে রয়েছে।

নন্দীগ্রামের লড়াকু নেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং পদ্ম শিবিরের একাধিক হেভিওয়েট প্রার্থী নিজেদের কেন্দ্রে দাপটের সাথে এগিয়ে রয়েছেন।দক্ষিণবঙ্গের তৃণমূলী দুর্গগুলো আজ গেরুয়া ঝড়ে তছনছ। কলকাতা ও সংলগ্ন এলাকাতেও বিজেপি অভাবনীয় সাফল্য পাচ্ছে।

ফলাফলের এই স্পষ্ট ইঙ্গিত পেতেই রাজ্যজুড়ে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে উৎসবের মেজাজ। জয় শ্রীরাম ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে উঠেছে মুরলীধর সেন লেনের রাজ্য দপ্তর। বাংলার মানুষ যে পরিবর্তন চেয়েছিলেন, ইভিএম-এর মাধ্যমে সেই জনমত আজ স্পষ্ট হয়ে ধরা দিচ্ছে।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, “পিসি-ভাইপোর” স্বৈরাচারী শাসন আর নিয়োগ দুর্নীতির বিরুদ্ধে বাংলার মা-মাটি-মানুষ আজ সপাটে জবাব দিয়েছেন। সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে এই ঐতিহাসিক জয় এখন কেবল সময়ের অপেক্ষা।