প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এর আগে যখন বাংলাদেশে অত্যাচারিত হয়েছিলেন হিন্দুরা, তখনও কলকাতায় অবস্থিত বাংলাদেশের ডেপুটি হাই কমিশনে পৌঁছে গিয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর বর্তমানে ফের বাংলাদেশ উত্তপ্ত হওয়ার খবর পাওয়া যাচ্ছে। যেখানে দীপু দাস নামে এক হিন্দু যুবককে রীতিমত পিটিয়ে খুন করার পর তাকে জ্বলন্ত আগুনে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। আর সেই খবর সামনে আসার পরেই এবার গর্জে উঠলেন বাংলার সনাতনীরা। আজ বিভিন্ন হিন্দু সংগঠন থেকে শুরু করে বিজেপি বিধায়কদের সঙ্গে করে নিয়ে বাংলাদেশে যে হিন্দু নিধন চলছে, তার প্রতিবাদে কলকাতায় অবস্থিত বাংলাদেশের ডেপুটি হাই কমিশনের দপ্তরের উদ্দেশ্যে রওনা দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তবে পথেই তাদের এক জায়গায় আটকে দেওয়া হয়। আর তারপরেই সকলকে নিয়ে রাস্তাতেই বসে পড়ে রীতিমত সোচ্চার হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

সম্প্রতি বাংলাদেশে যেভাবে হিন্দুদের ওপর আবার অত্যাচার শুরু হয়েছে, তার পরিপ্রেক্ষিতে এপার বাংলায় যিনি ক্রমাগত হিন্দুদের ঐক্যবদ্ধ করার চেষ্টা করছেন, সেই শুভেন্দু অধিকারী কি কিছুই করবেন না? তা নিয়ে অনেকের মধ্যেই কৌতুহল ছিলো। তবে সম্প্রতি শুভেন্দুবাবু জানিয়ে দিয়েছিলেন, তিনি আর কয়েকদিন দেখবেন, তারপরই বড় পদক্ষেপ নেবেন। আর যখন বাংলাদেশে ইউনুসের সরকার কার্যত নীরব রয়েছে, সেখানে হিন্দুদের ওপর ক্রমাগত অত্যাচার চলছে, তখন এপার বাংলায় হিন্দু সনাতনীদের নিয়ে রীতিমত গর্জে উঠলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আজ কলকাতায় ডেপুটি হাইকমিশনারের দপ্তরের উদ্দেশ্যে বাংলাদেশে হিন্দু নিধন যজ্ঞের প্রতিবাদে রওনা দিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী সহ বিভিন্ন হিন্দু সংগঠনগুলো। তবে পথেই একটি জায়গায় তাদের মিছিল আটকে দেওয়া হয়। আর তারপরে রাস্তাতেই বসে পড়ে প্রতিবাদ জানান রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

এদিন বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর যে নির্যাতন চলছে, তার প্রতিবাদে হিন্দু সংগঠনগুলিকে নিয়ে বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনের দপ্তরের উদ্দেশ্যে রওনা দেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তবে পথে যখন তাদের আটকে দেওয়া হয়, তখনই রাস্তায় বসে পড়েন তিনি। যেখানে প্রতিবাদ জানিয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “দুনিয়ার হিন্দু এক হও। হরগবিন্দ দাস এবং চন্দন দাসের সঙ্গে যা করেছিল, তাই করেছে দীপু দাসের সঙ্গে। মানা হবে না। হিন্দুরা জেগে গিয়েছে। আমরা বদলা নেবই। বদলা চাই। আমি পরিবারকে পরামর্শ দেব, হাইকোর্টে আবেদন করতে। ফাঁসি চাই।”