প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
বেশ কিছুদিন আগেই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছিলেন যে, তৃণমূলের মধ্যে যারা টিকিট পাবেন না, এইরকম অনেকেই তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। কিন্তু তারা এবার সবাইকে দলে নেবে না। এক্ষেত্রে বাছাই করেই তারা দলে নেওয়ার কাজ করবেন। তবে তৃণমূলের পক্ষ থেকে আবার পাল্টা দাবি করা হচ্ছে যে, বিজেপির অনেকেই তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করছেন। আর এসবের মধ্যেই দাবি, পাল্টা দাবির মাঝেই গতকাল এক বড় খবর সামনে এলো। যেখানে প্রথমে বিজেপির সঙ্গে যুক্ত থাকলেও, পরবর্তীতে তৃণমূলে যোগ দিয়ে আবার বিধায়ক হওয়া মুকুটমনি অধিকারী পৌঁছে গেলেন ঠাকুরবাড়িতে। এখন ঠাকুরবাড়িতে যে কেউ যেতে পারে। কিন্তু ঠাকুরবাড়িতে যাওয়ার পর তিনি বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে বেশ কিছুক্ষণ আলাপ-আলোচনা করেছেন বলেও খবর পাওয়া যাচ্ছে। আর সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই রীতিমত জল্পনা তৈরি হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে।

২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রতিমুহূর্তে বদলাতে শুরু করেছে বঙ্গ রাজনীতির সমীকরণ। বিজেপি নিশ্চিত, এবার তারাই ক্ষমতায় আসতে চলেছে। অন্যদিকে তৃণমূলের দাবি, চতুর্থবারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী হবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর এসবের মধ্যেই গতকাল ঠাকুরবাড়িতে ঘটে যায় এক বড় ঘটনা। যেখানে গাড়ি পুজো দিতে আসেন তৃণমূল বিধায়ক মুকুটমনি অধিকারী। আর তারপরেই তিনি বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের সঙ্গে দেখা করেন। বেশ কিছুক্ষণ দুজনের মধ্যে কথা হয়েছে বলে খবর। এখন কি বিষয়ে কথা হয়েছে, তা নিয়েই শুরু হয়েছে জল্পনা। যদিও বা শান্তনুবাবু এবং মুকুটমণি অধিকারী, দুজনেই রাজনৈতিক কোনো আলোচনা হয়নি বলেই জানিয়ে দিয়েছেন।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিধানসভা ভোট যখন সামনে, তখন তার আগে এই ঘটনা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। যতই মুকুটমনি অধিকারী বলুন যে, তিনি নতুন গাড়ি কিনেছেন, তাই পুজো দিতে এসেছেন। বিষয়টাকে কিন্তু অত সহজ ভাবে নিচ্ছেন না রাজনীতির কারবারীরা। তারা বলছেন, ভেতরে যে একটি রসায়ন চলছে, তা তো বোঝাই যাচ্ছে। তবে সেই রসায়ন কি দলবদল পর্যন্ত যায়, এখন সেদিকেই নজর থাকবে গোটা রাজ্যবাসীর।