প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
নিয়ম অনুযায়ী আগামী ৭ মে এর মধ্যে নতুন সরকার গঠন করতে হবে। আর তা যদি না হয়, তাহলে রাজ্যে জারি হয়ে যাবে রাষ্ট্রপতি শাসন। যত সময় এগোচ্ছে, ততই একটা আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে, তাহলে কি রাষ্ট্রপতি শাসনেই এই রাজ্যে ভোট হবে? নাকি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই ভোট ঘোষণা করবে নির্বাচন কমিশন? ইতিমধ্যেই ভোটার তালিকা প্রকাশ হয়ে গিয়েছে। ফলে নির্বাচন ঘোষণা করতে আর কোনো বাধা নেই। কিন্তু তারপরেও এসআইআরে যাদের নাম বিবেচনা দিনের তালিকায় রয়েছে, তাদের ফয়সালা কবে হবে? তারপর যদি নির্বাচন ঘোষণা হয়, তাহলে যে রাষ্ট্রপতি শাসনেই এই রাজ্যে ভোট হবে, সেই সম্পর্কে বিভিন্ন মহলে বিভিন্ন রকম মতামত শোনা যাচ্ছে। তবে এই ব্যাপারে কি বলছে রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর? এদিন সেই ব্যাপারেই প্রতিক্রিয়া দিলেন রাজ্যের সিইও মনোজ কুমার আগরওয়াল।

আগামী ৮ মার্চ রাজ্যে আসতে চলেছে জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। তারপর আগামী ৯ এবং ১০ মার্চ তারা একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করবেন। অনেকেই মনে করছেন, নির্বাচন কমিশনের এই ফুল বেঞ্চ রাজ্যে আসা মানেই ভোট ঘোষণা হওয়ার শুধু মাত্র সময়ের অপেক্ষা। প্রত্যেকবার ভোটের আগেই তারা এভাবে আসেন এবং তারপর তারা ফিরে যাওয়ার পরেই রাজ্যে ঘোষণা হয়ে যায় নির্বাচন। তবে এবারও কি সেরকম কিছু হবে, নাকি আরও দেরি হবে ভোট ঘোষণা করতে? সকলের নজর একটাই যে, নির্বাচন কবে ঘোষণা হয়। আর কয় দফায় নির্বাচন হয় এবং ফলাফল কবে ঘোষণা হয়। আর সকলের সেই কৌতুহল যখন ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে, ঠিক তখনই সাংবাদিকদের প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে তিনি যে এই ব্যাপারে কিছুই বলতে পারবেন না, তা জানিয়ে দিলেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক।

এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্যের সিইও মনোজ কুমার আগরওয়াল। আর সেখানেই সকল সাংবাদিকরা তাকে প্রশ্ন করেন যে, রাজ্যে কবে ভোট ঘোষণা হতে পারে? আর সেই ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে মনোজবাবু বলেন, “এই বিষয়ে আমার কিছু বলার নেই। এই ব্যাপারে যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার, তা জাতীয় নির্বাচন কমিশন নেবে। এই নিয়ে আমার বলার কোনো এক্তিয়ার নেই। আমরা শুধুমাত্র জাতীয় নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মত কাজ করি। ভোট কবে ঘোষণা করা হবে, সেই ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে জাতীয় নির্বাচন কমিশন।” অর্থাৎ এখনও পর্যন্ত যে ভোট ঘোষণা হওয়ার ব্যাপারে রাজ্যের সিইও দপ্তরের কাছে কোনো খবর নেই, তা একপ্রকার স্পষ্ট হয়ে গেল। এখন নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ রাজ্যে আসার পর বাংলার বিধানসভা নির্বাচনের দিন ঘোষণা নিয়ে কোনো আভাস পাওয়া যায় কিনা, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।