z
প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস খুব ভালো মতই বুঝতে পেরেছে যে, বিরোধী শক্তি হিসেবে বিজেপিকে কোনোমতেই আটকানো সম্ভব নয়। এমনকি বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী যেভাবে চোখে চোখ রেখে লড়াই করছেন, তাতে তার বিরুদ্ধে ২০২৬ এর নির্বাচনে তৃণমূল যতই শক্তি সঞ্চয় করে লড়াই করুক না কেন, তারা মানুষের মন আদায় করতে পারবে না বলেই বুঝতে পেরেছে। আর সেই কারণেই কি এবার কোনো উপায় না দেখে শেষ পর্যন্ত যারা চোখে চোখ রেখে লড়াই করছে, যারা সেটিং না করে তৃণমূলের বিরুদ্ধে সোচ্চার হচ্ছে, যারা শুভেন্দু অধিকারীর মতই এই রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে গর্জে উঠছেন, তাদেরকে শেষ করে দেওয়ার চক্রান্ত হচ্ছে? সম্প্রতি চন্দ্রকোনায় শুভেন্দু অধিকারীর কনভয়ে যে হামলার ঘটনা ঘটেছে, তার প্রতিবাদ করতে গিয়ে গতকাল সেই চন্দ্রকোনায় পদযাত্রার পর একটি সভা করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। আর সেখানেই কিভাবে গত শনিবার তার কনভয়ে হামলা হয়েছিল, সেই হাড়হিম করা ঘটনার ব্যাখ্যা করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।
এর আগেও রাজ্যের বিরোধী দলনেতাকে কোচবিহারে জিহাদীদের হামলার মুখে পড়তে হয়েছিল। যেখানে তিনি অভিযোগ করেছিলেন যে, তার গাড়িতে কেরোসিন তেল ছিটিয়ে তাকে হত্যা করার চক্রান্ত হয়েছিল। আর একই কাজ যে চন্দ্রকোনাতেও হয়েছিল, গতকাল সেই কথা তুলে ধরেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। স্পষ্ট ভাষায় তিনি জানিয়ে দেন যে, এই রাজ্যের শাসক দল এবং তাদের আশ্রিত দুষ্কৃতীরা কোনো মতেই ভোটে জিততে পারবে না। আর সেই কারণে যারা বিরোধী শক্তি, যারা বিরোধী নেতা নেত্রী রয়েছেন, তাদেরকে প্রাণে মেরে ফেলার চেষ্টা হচ্ছে।
গতকাল চন্দ্রকোনায় সম্প্রতি তার কনভয়ে যে হামলার ঘটনা ঘটেছিল, তার প্রতিবাদে একটি পদযাত্রা করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর তারপরেই একটি সভা থেকে তার কনভয়ে হামলার দিন কি পরিকল্পনা ছিল দুষ্কৃতীদের, সেই কথা তুলে ধরেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। তিনি বলেন, “আমি ভেবেছি, এলাকার নেতারা, আমার দলের কর্মী সমর্থকরা আমার সঙ্গে কুশল বিনিময় করার জন্য দাঁড়িয়ে রয়েছেন। তাই আমি গাড়ি স্লো করেছি। অতর্কিতে হামলা। এমনকি কাঠের নতুন নতুন বাটাম। আর বাটামে একটা করে আলপিন লাগানো। যাতে অল্প সময়ে চোখে, নাকে, মুখে ক্ষতবিক্ষত করা যায়। আর হাতে পেট্রোল আর কেরোসিনের জার। যদি গাড়িটা ভাঙতে না পারে, তাহলে কোচবিহারে যে জেহাদিরা আমার গাড়িতে পেট্রোল ঢেলেছিল, সেই একই কায়দায় তারা আমার গাড়ির ওপরে পেট্রোল এবং কেরোসিন তেল দিয়ে পুড়িয়ে মারার চক্রান্ত করেছিল। পশ্চিমবাংলায় প্রধান বিরোধী দল এবং ভারতীয় জনতা পার্টির সবাইকে যাতে শেষ করে দিতে পারে, সেই কারণে ছোট আঙ্গারিয়া মডেলে সেদিন হামলা হয়েছে।”