প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে তিনি সিনিয়র রাজনীতিবিদদের মধ্যে অন্যতম। আর যাই হোক, বহু রাজনীতিবিদ সম্পর্কে বিরোধী পক্ষের নেতারা বহু কথা বার্তা বললেও এবং দুর্নীতির জালে তাদেরকে বিদ্ধ করলেও, তিনি তৃণমূলে থাকার সময়ও বিজেপির পক্ষ থেকে কেউ তার সম্পর্কে কোনো দুর্নীতির অভিযোগ আনতে পারেননি। তবে ভালো মানুষের যে তৃণমূলে জায়গা হয় না, তা বুঝিয়ে দিয়েছেন তাপস রায়। আর সেই কারণেই নির্লজ্জতা করতে না পেরে তৃণমূলের ছত্রছায়া থেকে বের হয়ে বহুদিন আগেই বিজেপিতে যোগদান করেছেন তিনি। তবে দীর্ঘদিনের রাজনীতিবিদ হিসেবে এবার যে কথাটা তাপস রায় প্রকাশ্য মঞ্চ থেকে বলে দিলেন, তারপরেও কি এই রাজ্যের শাসক দলের যে সমস্ত দুর্বৃত্তরা এই নির্লজ্জ রাজনীতি শুরু করেছে, তা বন্ধ হবে? ইতিমধ্যেই এই সমস্ত বিষয় নিয়েই চর্চা চলছে বঙ্গ রাজনীতিতে।

প্রসঙ্গত, বঙ্গ রাজনীতিতে বর্তমানে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তা দেখে অনেকেই হতাশ। অনেকেই বিগত বাম সরকারের আমল দেখেছেন তার আগে কংগ্রেসের আমল দেখেছেন। কিন্তু বর্ষীয়ান যে সমস্ত রাজনীতিবিদরা রয়েছেন, তারা এই তৃণমূল সরকারের আমলে যে জিনিস প্রত্যক্ষ করছেন, তা তারা অতীতে কোনোদিনও দেখেননি। অন্তত তাদের মুখ থেকে তেমনটাই কথা শোনা যাচ্ছে। আর গতকাল বেহালার সখের বাজারে বিজেপির মঞ্চ পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় যে প্রতিবাদ সভা হয়েছিল, সেই মঞ্চেই দাঁড়িয়ে তৃণমূলেরই প্রাক্তন নেতা তথা বর্তমান বিজেপি নেতা তাপস রায় এত বড় বড় এবং অসভ্য রাজনৈতিক দল তিনি তার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে কখনও দেখেননি বলে মন্তব্য করলেন।

গতকাল বেহালার সখের বাজারে বিজেপির মঞ্চ পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় একটি প্রতিবাদ সভার আয়োজন করা হয়। আর সেখানেই উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, তাপস রায় সহ অন্যান্যরা। আর সেই মঞ্চেই বক্তব্য রাখতে গিয়ে তৃণমূলকে রীতিমত কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন বর্ষিয়ান বিজেপি নেতা তাপস রায়। তিনি বলেন, “আমার দীর্ঘ রাজনৈতিক জীবনে আমি এরকম অসভ্য এবং বর্বর রাজনৈতিক দল দেখিনি। আর কলকাতা তথা বাংলার এইরকম দলদাস এবং ক্রীতদাস পুলিশও আমি দেখিনি। কি অসহায়! নিজেদের রক্ষা করতে পারে না, উর্দির মর্যাদা দিতে পারে না। নিজেদের বাড়ির মা, বোনেদের সম্মান রক্ষা করতে পারে না, তারা বাংলার মানুষের কি সম্মান রক্ষা করবে! কি গণতান্ত্রিক বন্দোবস্ত রক্ষা করবে!”