প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-বিস্ফোরক উত্তেজনা আর রাজনৈতিক জল্পনার মাঝেই দ্বিতীয় দফার মহাযুদ্ধের আগে বড় আপডেট দিল নির্বাচন কমিশন। ট্রাইব্যুনাল থেকে ছাড়পত্র পাওয়া ভোটারদের ভাগ্য নির্ধারণ হয়ে গেল এক নিমেষেই। মঙ্গলবার সকালেই কমিশনের ওয়েবসাইটে আপলোড করা হয়েছে সেই বহু প্রতীক্ষিত তালিকা। তবে এই তালিকাকে কেন্দ্র করে যে ধোঁয়াশা ছিল, তা কাটলেও নতুন এক রহস্য দানা বেঁধেছে সংখ্যার হিসেবে।

সুপ্রিম কোর্টের কড়া নির্দেশে গঠিত ১৯ টি অ্যাপলেট ট্রাইব্যুনালে যাঁদের ভাগ্য ঝুলে ছিল, তাঁদের মধ্যে এক বড় অংশের নাম এবার চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় যুক্ত হল। কিন্তু চমকপ্রদ বিষয় হলো, দ্বিতীয় দফার ভোটের ঠিক আগের মুহূর্তে এই তালিকা প্রকাশ করলেও, কমিশন স্পষ্টভাবে জানাচ্ছে না যে ঠিক কতজন মানুষ এই সুযোগ পেলেন। প্রথম দফায় এই সংখ্যাটি ছিল মাত্র ১৩৯ জন, কিন্তু দ্বিতীয় দফায় সেই সংখ্যাটি কত বড় আকার নিল, তা নিয়ে তৈরি হয়েছে এক রহস্যময় অস্পষ্টতা।

কমিশন সূত্রে পরিষ্কার জানানো হয়েছে, ভোটার তালিকা সংশোধনের (SIR) সময় যাঁদের নাম নানা কারণে বাদ পড়েছিল এবং যাঁরা ট্রাইব্যুনালে গিয়ে নিজেদের ভারতীয় নাগরিকত্ব বা ভোটার হিসেবে বৈধতা প্রমাণ করতে পেরেছেন, শুধুমাত্র তাঁদের নামই এই সাপ্লিমেন্টারি তালিকায় স্থান পেয়েছে। আগামীকাল, ২৯ এপ্রিল তাঁরা সরাসরি নিজের বুথে গিয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।

অনর্থক বিভ্রান্তি এড়াতে ভোটারদের সরাসরি কমিশনের ওয়েবসাইট ceowestbengal.wb.gov.in দেখার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। জেলা এবং বিধানসভা কেন্দ্র অনুযায়ী ‘সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট’ অপশনে গেলেই এই বিশেষ তালিকাটি দেখা যাবে। এছাড়া ভোটার হেল্পলাইন অ্যাপ বা পোর্টালে EPIC নম্বর দিয়ে সার্চ করলেও নিজের স্ট্যাটাস জানা সম্ভব।

উল্লেখ্য, গত ৫ এপ্রিল সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছিল যে, ট্রাইব্যুনালে জয়ী প্রার্থীদের ভোটের অন্তত ৪৮ ঘণ্টা আগে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। সেই আইনি বাধ্যবাধকতা মেনেই কমিশন এই তালিকা প্রকাশ করেছে। যদিও বুথ স্তরে এই তালিকা পৌঁছে দেওয়ার কাজ এখন চ্যালেঞ্জের মুখে। এখন দেখার, এই শেষ মুহূর্তের অন্তর্ভুক্তি দ্বিতীয় দফার ভোটের ফলাফলে কোনো বড় প্রভাব ফেলে কি না।