প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যের তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী রাজনৈতিক কৌশলের কাছে যে একেবারেই পেরে উঠছেন না এবং বিধানসভা নির্বাচনের সময় যতই এগিয়ে আসছে, ততই যে তাদের মধ্যে আতঙ্ক কাজ করছে, তা স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে। বিভিন্ন জেলার তৃণমূলের নেতা নেত্রী থেকে শুরু করে একেবারে জনপ্রতিনিধিদের গলায় শোনা যাচ্ছে হুমকি, হুঁশিয়ারি মূলক বক্তব্য। আর তা যে আতঙ্ক থেকেই বের হচ্ছে, তা স্পষ্ট হচ্ছে সকলের কাছেই। আর এই পরিস্থিতিতে ফের বিতর্কিত মন্তব্য করে খবরের শিরোনামে উঠে এলেন তৃণমূল বিধায়ক পরেশরাম দাস।
এসআইআর হওয়ার পর থেকেই তৃণমূল কংগ্রেস রীতিমত যে আতঙ্কে রয়েছে, তা নতুন করে বলতে হবে না। তারা খুব ভাল মতই বুঝতে পারছে যে, এসআইআর সঠিকভাবে হলে আরও প্রচুর মানুষের নাম বাদ যাবে। আর সেই আতঙ্কের ফলেই তৃণমূল এখন অবৈধ ভোটারদের রাখতে না পেরে বিরোধী দলনেতাকে টার্গেট করে যা খুশি তাই বলতে শুরু করেছেন। তাদের চোখে মুখে যে আতঙ্ক রয়েছে, তা তাদের হুমকি, হুঁশিয়ারি মূলক বক্তব্যের মধ্যে দিয়েই পরিষ্কার হয়ে যাচ্ছে। আর এই পরিস্থিতিতে এবার ক্যানিং পশ্চিমের তৃণমূল বিধায়ক পরেশরাম দাস যে মন্তব্য করে বসলেন, তাতে প্রশ্ন উঠছে যে, এখনই যদি এইরকম ছটফটানি দেখতে পাওয়া যায়, তাহলে এসআইআর পর্ব সম্পন্ন হওয়ার পর যে সমস্ত অবৈধ ভোটারদের নাম বাদ যাবে, তার ফলে তৃণমূলের কি হবে?
এদিন একটি সভায় বক্তব্য রাখেন ক্যানিং পশ্চিমের তৃণমূল বিধায়ক পরেশরাম দাস। আর সেখানেই বিজেপি এবং রাজ্যের বিরোধী দলনেতার উদ্দেশ্যে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। তৃণমূল বিধায়ক বলেন, “শুভেন্দু অধিকারীর মত একজন দালাল, সে এসআইআর না হওয়ার আগেই বলছে, পশ্চিমবাংলা থেকে নাকি দেড় কোটি নাম বাদ চলে যাবে। হঠাৎ করে শুভেন্দু অধিকারী কোথা থেকে পেল? এই শুভেন্দু অধিকারীর ব্যবস্থা আমরা করব। যারা আমাদের ধমকানোর চেষ্টা করছেন, আমরা যদি মনে করি, ক্যানিং পশ্চিম সহ এই রাজ্যে যে কয়েকটি বিজেপির পার্টি অফিস আছে, আমরা সেগুলো ধূলিস্যাৎ করে দিতে পারি। কিন্তু আমরা তৃণমূল করি। আমরা জানি, মানুষের নৈতিক অধিকার আছে, সে যে কোনো দল করতে পারে।”