প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এসআইআর হওয়ার পর থেকেই রীতিমত আতঙ্কগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন। অতীতে কখনও তাকে এত নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিতে দেখা যায়নি। কিন্তু এবার তিনি বুঝতে পেরেছেন যে, ভারতবর্ষের নির্বাচন কমিশন যে পদ্ধতিতে বাংলার নির্বাচনে স্বচ্ছতা আনতে চাইছে, যেভাবে তারা এসআইআর প্রক্রিয়াকে নিরপেক্ষভাবে পরিচালনা করতে চাইছে, তাতে তৃণমূল যথেষ্ট চাপে পড়ে যাবে। আর সেই কারণেই প্রথম দিন থেকেই একের পর এক বিষয় তুলে ধরে জাতীয় নির্বাচন কমিশনারকে চিঠি দিচ্ছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর নির্বাচন কমিশনও খুব ভালোমতোই বুঝে গিয়েছে যে, মুখ্যমন্ত্রী যে সমস্ত বিষয় তুলে ধরে চিঠি দিচ্ছেন, তাতে তার সব আবদার মেনে নেওয়া তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। অন্তত তেমনটাই দাবি করছে বিরোধীরা। আর এসবের মধ্যেই আজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আবারও জাতীয় নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে একটি চিঠি দিয়েছেন। আর সেই বিষয় নিয়েই পাল্টা মুখ্যমন্ত্রীকে খোঁচা দিলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।
ইতিমধ্যেই এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জাতীয় নির্বাচন কমিশনারকে একের পর এক বিষয়ে চিঠি দিচ্ছেন। বিভিন্ন বিষয়ে তার আপত্তির কথা জানিয়ে তিনি জ্ঞানেশ কুমারকে অতীতেও চিঠি দিয়েছেন। আজ তিনি তার পঞ্চম চিঠি দিলেন জাতীয় নির্বাচন কমিশনারকে। তবে আদৌ বরফ গলবে কিনা, আদৌ মুখ্যমন্ত্রী যে সমস্ত বিষয় তুলে ধরে তার আপত্তির কথা জানাচ্ছেন, তার সমাধান হবে কিনা, তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে চর্চা চলছে। আর এসবের মধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী যতই চিঠি দিন, তাতে যে কোনো লাভ নেই, ঘুরিয়ে সেই কথাই কি বুঝিয়ে দিলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি?
এদিন জ্ঞানেশ কুমারকে মুখ্যমন্ত্রীর দেওয়া চিঠি নিয়ে রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যকে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা। আর সেই ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে শমীকবাবু বলেন, “আগে ভানুসিংহের পদাবলী ছিলো। এবার ওইরকম কোনো সিংহীর পত্রাবলী হবে ভবিষ্যতে। বই বেরোবে। মুখ্যমন্ত্রী জানেন, চিঠির পরিণতি কি। সুস্থ স্বাভাবিক মানুষ, যাদের আইন সম্পর্কে ধ্যান ধারণা আছে যারা রাজনীতিতে আছেন যারা রাজনীতির বাইরে আছেন, তারা সকলেই জানেন, এই ধরনের চিঠির বিষয়ে তারা জানেন। তবে মানুষ রাজনৈতিকভাবে মূর্খ নয়। এই চিঠি দিয়ে কারওর মন ভেজানো যাবে না।”