প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- পশ্চিমবঙ্গকে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতারা এতটাই দুর্বৃত্তায়নে পরিণত করেছেন যে, এখানে মানুষ তাদের মনের কথা খুলে বলতে পারেন না। সবাইকে সবসময় ভয় থাকতে হয়। এই রাজ্যে শিল্প আসে না। কারণ শিল্পপতিরা খুব ভালো মতই জানেন, তারা বিনিয়োগ করতে আসলেই তৃণমূলের নেতাদের কাটমানি দিতে হবে। এমনকি তারা যদি কাটমানি না দেন, তাহলে তাদের বাড়িতে হামলা হবে। তাই তৃণমূল সরকারের আমলে মানুষ বিরক্ত এবং তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিতেই ২৬ এর নির্বাচনে তারা পরিবর্তন করবেন বলে বিভিন্ন জায়গায় দাবি করছেন বিজেপি নেতারা। আর এসবের মধ্যেই আজ ফের আরও এক তৃণমূল নেতার গুন্ডাগিরির ভিডিও পোস্ট করে রীতিমত চমকে দিলেন বিজেপি নেতা সজল ঘোষ।
বর্তমানে শহর কলকাতায় বিভিন্ন রকম আইনশৃঙ্খলার অবনতির মত খবর আসছে। কিছুদিন আগেই কাকুলিয়ায় যে ঘটনা ঘটেছে, তারপর মূল অভিযুক্তের গ্রেপ্তারির দাবিতে সোচ্চার হচ্ছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বিধানসভা নির্বাচনের সময় যত এগিয়ে আসছে, ততই তৃণমূলের নেতাদের তাণ্ডব মানুষকে অত্যন্ত ভীত করে তুলছে বলেই মনে করা হচ্ছে। আর এই পরিস্থিতিতে আজ বিজেপি নেতা সজল ঘোষ বরানগরের একটি ঘটনার যে ভিডিও পোস্ট করলেন, তাতে প্রবল অস্বস্তিতে পড়ে গেল এই রাজ্যের শাসক দল। ঠিক কি ঘটনা ঘটেছে?
সূত্রের খবর, এদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও পোস্ট করেন বিজেপি নেতা তথা কলকাতা পৌরসভার কাউন্সিলর সজল ঘোষ। যেখানে বরানগরে এক ইন্টিরিয়র ডিজাইনারকে যেভাবে মারধর করা হয়েছে, সেই বিষয়ে সোচ্চার হন তিনি। সজলবাবুর দাবি, ক্লাবে ডেকে নিয়ে গিয়ে তৃণমূলের শ্রমিক সংগঠনের নেতা শঙ্কর রাউত এই ইন্টিরিয়ার ডিজাইনারকে মারধর করেছেন। এক্ষেত্রে তার কাছে তোলা চাওয়া হয়েছিল। আর সেই কারণেই তিনি না দেওয়াতে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়ে তাকে মারধর করা হয় বলে অভিযোগ উঠেছে। স্বাভাবিকভাবেই এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভোটের মুখে রীতিমত শহর কলকাতায় তৃণমূলের নেতাদের যে দাদাগিরি, তার ছবি আরও একবার স্পষ্ট হয়ে গেল। পাশাপাশি গোটা ঘটনায় রাজ্যের শাসক দল এবং সেই তৃণমূল নেতা যে অত্যন্ত বিড়ম্বনায় পড়ে গেল, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। সব মিলিয়ে গোটা পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, শেষ পর্যন্ত এই ঘটনায় কি সাফাই দেয় রাজ্যের শাসক দল, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।