প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যের শাসক দল সংবিধানকে মানে না, গণতন্ত্রকে মানে না। এটা এতদিন বিরোধীরা জানতো।কিন্তু এবার দেশের সংবিধানের যে মূল স্তম্ভগুলো রয়েছে, তারাও বুঝতে শুরু করেছে যে, এই রাজ্যে গণতন্ত্র বলে কিছু নেই। যেভাবে তৃণমূল কংগ্রেস এবং তাদের কর্মীরা কাজ করে চলেছে, তা কিন্তু ভবিষ্যতে তাদের জন্যই বড়সড় বিপদ ডেকে আনতে পারে। তাদের একের পর এক ভুল সিদ্ধান্ত কিন্তু সেই দিকেই ইঙ্গিত করছে। ইতিমধ্যেই রাজ্যে এসে প্রশাসনের অসহযোগিতা নিয়ে মুখ খুলেছেন রাষ্ট্রপতি। যা অত্যন্ত লজ্জার বলেই মনে করা হচ্ছে। গোটা দেশ সরগরম এই বিষয়টি নিয়ে। আর তার মধ্যেই গতকাল রাজ্যে এসেছেন দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। আজ এবং আগামীকাল বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করবেন তিনি। তবে গতকাল তিনি কলকাতায় নামতেই ফের তৃণমূলের চূড়ান্ত অসভ্যতা শুরু হয়ে গেল। যেখানে হেস্টিংসের কাছে যে হোটেলে ওঠার কথা এই জ্ঞানেশ কুমারের, সেখানে তার কনভয় যেতেই রাস্তায় তৃণমূলের পক্ষ থেকে দেখানো হলো কালো পতাকা এবং তোলা হলো গো ব্যাক স্লোগান।
এই রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস প্রথম দিন থেকেই এসআইআরের বিরোধিতা করছে। এমনকি সম্প্রতি তাদের আক্রমণ গিয়ে পড়েছে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের ওপর। যা ইচ্ছে তাই বলে দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে আক্রমণ করছেন তৃণমূলের নেতারা। জ্ঞানেশ কুমার যে পদ্ধতিতে নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনার চেষ্টা করছেন, সেই স্বচ্ছতা আনলে যে তৃণমূলের অবৈধ উপায়ে ভোটে জেতা বন্ধ হয়ে যাবে, তা বুঝতে পেরেই যে শাসকদলের নেতাদের এই ছটফটানি, তা বলার অপেক্ষায় রাখে না। অন্তত তেমনটাই মনে করছেন বিরোধীরা। আর এই পরিস্থিতিতে গতকাল নিজের ফুল বেঞ্চকে নিয়ে রাজ্যে এসেছেন জ্ঞানেশ কুমার। আর তিনি এই রাজ্যে আসতেই চূড়ান্ত অসভ্যতা শুরু করে দিলো তৃণমূল কংগ্রেস।
সূত্রের খবর, গতকাল রাতেই বিমানব্দরে নেমে নিজের কনভয় করে হেস্টিংসের কাছে যে হোটেলে ওঠার কথা, তার উদ্দেশ্যে রওনা দেন দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার। কিন্তু রাস্তাতেই তাকে বিক্ষোভ দেখানোর চেষ্টা করে তৃণমূল কংগ্রেস বলে অভিযোগ। যেখানে কালো পতাকা দেখানোর পাশাপাশি গো ব্যাক স্লোগান দেওয়া হয় দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে। আর এখানেই সকলে বলছেন যে, পদ্ধতিতে তৃণমূল কংগ্রেস এই সমস্ত কাজ করছে, তা সংবিধানকে চূড়ান্ত অবমাননা করা। এখন এরপরেও যদি তৃণমূলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ না করা হয়, তাহলে তারা আরও বেশি করে প্রশ্রয় পেয়ে যাবে। তাই মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে যেভাবে গো ব্যাক স্লোগান এবং কালো পতাকা দেখানো হলো, তার পরিপ্রেক্ষিতে এই রাজ্যের শাসক দলের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয় কিনা, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।