প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
যে যাই বলুন না কেন, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা সহ বিজেপি পরিবার রীতিমত নিশ্চিত যে, পশ্চিমবঙ্গে এবার ক্ষমতায় আসছে বিজেপি। কোনো শক্তি নেই তাদেরকে আটকায়। তৃণমূল যতই লাফালাফি করুক, যতই তারা লক্ষ্মীর ভান্ডারের সামান্য টাকা বাড়িয়ে দিন, এবার বাংলায় যে পরিবর্তন হচ্ছেই, তা শুভেন্দু অধিকারীর ওভার কনফিডেন্ট মনোভাবের মধ্যে দিয়েই স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তিনি এমনটাও দাবি করছেন যে, ভবানীপুরেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তিনি পরাজিত করবেন। আর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে অত্যন্ত আতঙ্কিত এবং সেই কারণেই যে ভবানীপুর থেকে বিজেপির পতাকা পর্যন্ত খুলে ফেলা হচ্ছে, সেই নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। আর আজ সেই এলাকায় পৌঁছে গিয়ে বিজেপির পতাকা লাগিয়ে কর্মীদের মনোবল বাড়ানোর পাশাপাশি যারা এই ঘটনা ঘটিয়েছে, বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর তাদের যে করুন পরিণতি হবে, সেই কথাও জানিয়ে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।
২০২১ এ অল্পের জন্য ক্ষমতায় আসতে পারেনি বিজেপি। অনেক আসনেই তারা অল্প কিছু মার্জিনে পরাজিত হয়েছে। তবে অতীত থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার নিজেদের ভুল ত্রুটি শুধরে নিচ্ছে গেরুয়া শিবির। প্রত্যেকটি সভা থেকে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা দাবি করছেন, রাজ্যে যেমন বিজেপি ক্ষমতায় আসছে, ঠিক তেমনই ভবানীপুরেও তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করবেন। আর আজ সেই ভবানীপুরেই পৌঁছে গিয়ে সম্প্রতি সেখানে যেভাবে বিজেপির পতাকা খুলে ফেলা হয়েছিল, সেই পতাকা আবার নতুন করে টাঙিয়ে দেওয়ার কাজে সহযোগিতা করেন শুভেন্দুবাবু। আর তারপরেই যাদের বিরুদ্ধে কেস হয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ যদি ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর সেই সমস্ত কেস ওপেন করে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিলেন তিনি।
এদিন ভবানীপুরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর সেখানেই তিনি বলেন, “ভবানীপুরে যারা বিজেপির পতাকা খুলেছে, তাদের বিরুদ্ধে দুটো এফআইআর করা হয়েছে। এপ্রিল মাসে বিজেপির সরকার এলে এই এফআইআর দুটোকে অ্যাকটিভ করা হবে। এটাও শুনে রাখুন। গুন্ডারাজ খতম করব এবার। বিহারে অনেক আগেই জঙ্গলরাজ খতম হয়ে গিয়েছে। নরেন্দ্র মোদী বলে গিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গে জঙ্গলরাজ নয়, মহাজঙ্গল রাজ চলছে। এবার সেই মহাজঙ্গল রাজ উপড়ে ফেলবো। মূল সহ উৎপাটন হবে।”