প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তার দল তৃণমূল কংগ্রেস খুব ভালো মতই বুঝতে পারছে যে, এবার যেভাবে পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন হবে, তাতে তারা জিততে পারবে না। যেভাবে এসআইআর হচ্ছে, তার ফলে তৃণমূলের আতঙ্ক ক্রমশ বাড়তে শুরু করেছে। তাই সেই এসআইআর প্রক্রিয়ার বিরুদ্ধে সুর চড়াচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনকি আজ সুপ্রিম কোর্টেও চলে গিয়েছেন তিনি। গতকাল আবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সাংবাদিক বৈঠক করতে গিয়ে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে অপসারণের জন্য ইমপিচমেন্ট আনার আভাস দিয়েছেন। ইতিমধ্যেই তিনি তার সংসদীয় দলকে সমস্ত বিরোধী দলের সঙ্গে আলোচনা করে চলতে অধিবেশনেই যাতে ইমপিচমেন্ট আনা যায়, তার জন্য বলেছেন বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। তবে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে তার পদ থেকে সরাতে গেলে বা ইমপিচমেন্ট আনতে গেলে একটি সংখ্যার প্রয়োজন। সেটা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বা বিরোধীদের কাছে আছে তো? এবার সেই প্রশ্ন তুলে ধরেই আবার যে তারা এই ব্যাপারেও হেরে নন্দলাল হয়ে বাড়ি ফিরে যাবে, সেই বিষয়ে কটাক্ষ করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার।

ইতিমধ্যেই গতকাল থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাংবাদিক বৈঠকে একটি মন্তব্য ঘিরে চর্চা চলছে রাজ্য এবং জাতীয় রাজনীতিতে। শেষ পর্যন্ত কি কোনোভাবেই তিনি পেরে উঠছেন না? কোনোভাবেই এই এসআইআর প্রক্রিয়াকে আটকাতে পারছেন না জন্যই মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে সরানোর চেষ্টা করছেন এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী? আর সেই জন্যই ইমপিচমেন্ট আনার কথা ভাবতে শুরু করেছেন তিনি? তবে তার দলের কাছে যেমন সংখ্যা নেই, ঠিক তেমনই সমগ্র বিরোধীদের কাছেও এই ইমপিচমেন্ট আনার জন্য বা সেটা সফল করার জন্য নির্দিষ্ট সংখ্যা তো নেই! সেক্ষেত্রে কিভাবে এই ইমপিচমেন্ট তারা আনবেন? এই প্রশ্ন বিজেপি নেতারা করতে শুরু করেছেন। আর সেই বিষয়েই এবার তৃণমূল সহ সমস্ত বিজেপি বিরোধী দলগুলিকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার।

এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। আর সেখানেই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে অপসারণের জন্য যে ইমপিচমেন্ট আনার কথা ভাবছে বিরোধীরা, সেই বিষয়ে তাকে প্রশ্ন করা হয়। আর সেই ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে সুকান্তবাবু বলেন, “ইমপিচমেন্ট আনতে কতজন সাংসদ লাগে, সেটা ওনারা জানেন তো? মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যতই বাংলা, হিন্দি, উর্দুতে কবিতা লিখুন, দেশের মানুষ ওনাদেরকে ভোট দেয়নি। ওনাদেরকে পেছনে বসিয়েছে। অর্থাৎ বিরোধীদল হিসেবে বসিয়েছে। তাই আপনারা ইমপিচমেন্ট আনলে আনবেন। আবার নন্দলাল হয়ে ফিরে যাবেন, দুগালে থাপ্পড় খেয়ে লাল হয়ে।”