প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
২০১৬ এর বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি যদি ক্ষমতায় না আসে, তাহলে হিন্দুরা সুরক্ষিত থাকবে না। প্রত্যেকটি কর্মসূচি থেকেই এই বক্তব্য তুলে ধরে হিন্দুদের সঙ্ঘবদ্ধ করার চেষ্টা করছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। কখনও হিন্দুদের আচার অনুষ্ঠানে বাধা, কখনও বা মন্দির ভাঙ্গা, আবার কখনও বা কালী ঠাকুরকে প্রিজন ভ্যানে তোলার ঘটনায় কথা বারবার করে তুলে ধরেন নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক। বর্তমানে বিজেপির পক্ষ থেকে বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিভিন্ন বিধানসভা কেন্দ্রে যেখানে তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক রয়েছে, সেখানে চার্জশিট পেশ করা হচ্ছে। আজ মন্দিরবাজারে সেই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর সেই কর্মসূচি থেকেই দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার বিভিন্ন জায়গায় কিভাবে হিন্দুদের আচার অনুষ্ঠানে বাধাদান করা হয়েছে, তা উল্লেখ করে প্রশাসনের নিষ্ক্রিয়তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই বদলাচ্ছে রাজ্য রাজনীতির সমীকরণ। বিজেপি খুব ভালো মতই জানে, তারা সংখ্যালঘুদের ভোট সেইভাবে পাবে না। আর তাই হিন্দুদের একত্রিত করার কাজ চালিয়ে যাচ্ছে গেরুয়া শিবির। যেভাবে এই রাজ্যের বুকে একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে তোষণ করছে রাজ্য সরকার, তাতে হিন্দুদের আচার অনুষ্ঠান বিভিন্ন জায়গায় বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে বলেই অভিযোগ করেন বিজেপি নেতারা। আর আজ মন্দির বাজারে চার্জশিট পেশ করতে গিয়ে গোটা জেলা জুড়ে কিভাবে হিন্দুদের আচার অনুষ্ঠানে বাধাদান করা হয়েছে এবং হিন্দু দেব দেবীকে অপমান করা হয়েছে, সেই তথ্য তুলে ধরেন শুভেন্দু অধিকারী।

এদিন মন্দিরবাজারে চার্জশিট পেশ করে বিজেপি। আর সেই কর্মসূচিতেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর সেখানেই তিনি বলেন, “আমি এখানে কালীপুজোতে এসেছিলাম পাথরপ্রতিমা এবং মন্দিরবাজারে। সেখানে আমাকে আট জায়গায় আক্রমণ করা হয়েছিল। এখানে কাকদ্বীপের সূর্যনগরে মা কালীকে প্রিজন ভ্যানে তোলা হয়েছিল। মন্দিরবাজারে জগদ্ধাত্রী মায়ের মূর্তি ভাঙ্গা হয়। কুলপিতে বজরংবলীর মুন্ডুচ্ছেদ করে জেহাদিরা। এই তিন ক্ষেত্রে হিন্দুদের দেবদেবী, ভাবাবেগ, আস্থা, তাদের উৎসবে আঘাত লাগানো হয়। কিন্তু কোনো ক্ষেত্রেই বিচার তারা পায়নি।”