প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা হিসেবে শুভেন্দু অধিকারী যেদিন থেকে দায়িত্ব নিয়েছেন, সেদিন থেকেই যেখানেই যারা এই রাজ্যের শাসকের দ্বারা এবং পুলিশের দ্বারা অত্যাচারিত হচ্ছেন, সেখানেই তিনি পৌঁছে যাচ্ছেন। মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন। এক্ষেত্রে কোনো দল, মত দেখছেন না রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। এমনকি বেশিরভাগ জায়গাতেই লক্ষ্য করা যাচ্ছে যে, বেছে বেছে হিন্দুদেরকে টার্গেট করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে তিনি অতীতেও অভিযোগ করেছেন যে, রাজ্যে বাংলাদেশের অনুকরণে জিহাদীরা অত্যাচার চালাচ্ছে। সম্প্রতি সমবায় নির্বাচনের ফলাফলের পর যেভাবে নন্দীগ্রামের রাণীচকে বিজেপি করার অপরাধে হিন্দু পরিবার গুলোকে টার্গেট করা হয়েছে এবং তাদের ওপর অত্যাচার করা হয়েছে, তার পরিপ্রেক্ষিতে আজ এলাকাবাসীর সঙ্গে দেখা করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর যাতে এরকম কোনো ঘটনা না ঘটে, তার জন্য এলাকায় সিসিটিভি দিয়ে মুড়িয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি। পাশাপাশি হিন্দুদের জাগ্রত হওয়ার জন্য প্রত্যেক বাড়িতে ধ্বজ লাগানোর নির্দেশ দেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

এই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা মাঝেমধ্যেই অভিযোগ করেন যে, রাজ্যে একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে তোষণ করতে গিয়ে হিন্দুদের সর্বনাশ করছে তৃণমূল সরকার। বেছে বেছে হিন্দু এলাকাগুলোকে টার্গেট করা হচ্ছে এবং সেখানে প্রশাসনকে কাজে লাগিয়ে তাদের ওপর অত্যাচার করা হচ্ছে। কারণ তারা বিজেপিকে সমর্থন করেন। আর এটাই তাদের অপরাধ। সম্প্রতি নন্দীগ্রামের রানীচকেও এই ঘটনা ঘটেছে। প্রচুর মানুষ তৃণমূলের জেহাদীদের দ্বারা আক্রান্ত বলে আজ অভিযোগ করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। পাশাপাশি হিন্দুদের জাগ্রত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে গ্রামে যাতে জেহাদীরা ঢুকে আর কোনো অত্যাচার না করতে পারে, তার জন্য সকলকে শাঁখ বাজানোর বার্তা দেন শুভেন্দু অধিকারী।

এদিন নন্দীগ্রামের রানীচকে আক্রান্ত পরিবারগুলির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী যারা গুরুতরভাবে আক্রান্ত হয়েছেন তাদের অবিলম্বে চিকিৎসা করার জন্য নির্দেশ দেন তিনি। শুভেন্দুবাবু বলেন, “আগামীকাল সকালের মধ্যে সমস্ত হিন্দু ঘরে ধ্বজ লাগাতে হবে। সব হিন্দু ঘরে ধ্বজ উঠবে। একদম সেপারেট করে দাও, এখানকার জিহাদী মৌলবাদীদের সঙ্গে আমাদের হিন্দুদের। সমস্ত জায়গায়, কলকাতা থেকে ভালো সিসিটিভি নিয়ে এসো, উঁচুতে, নীচুতে, সব জায়গায় লাগাও। যত টাকা লাগে আমি দেব। আর প্রত্যেক মন্দিরে মাইক টাঙ্গাও, আর হর্ন দাও গোটা গ্রামে। শাঁখ বিতরণ করো।”