প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
তৃণমূল থেকে হুমায়ুন কবীর সাসপেন্ড হওয়ার পরেই তিনি জানিয়ে দিয়েছিলেন যে, আগামী ২২ ডিসেম্বর তিনি দল গঠন করবেন। অবশেষে আজ তার এই নতুন দল গঠনের দিকেই নজর রয়েছে গোটা রাজনৈতিক মহলের। ইতিমধ্যেই সেই প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছে। তবে তার মাঝেই বিভিন্ন মহল থেকে বিভিন্ন প্রতিক্রিয়া আসতে শুরু করেছে। প্রথম দিন থেকেই বিজেপি দাবি করছে, হুমায়ুন কবীর তৃণমূলের কথামত চলছেন। সংখ্যালঘু ভোট এখন তৃণমূলের দিকে নেই। তাই সেই সংখ্যালঘু ভোট যাতে বিজেপির দিকে না যায়, তার জন্যই হুমায়ুন কবীরের এই পদক্ষেপ এবং সেটা সম্পূর্ণ রূপেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশ মতই বলে এতদিন দাবি করে এসেছিলেন বিজেপি নেতারা। আর আজ হুমায়ুন কবীর যখন নতুন দল গঠন করছেন, ঠিক তখনই গোটা বিষয় নিয়ে বড় মন্তব্য করলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি।
ইতিমধ্যেই রাজ্য রাজনীতিতে সবথেকে বড় আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে ভরতপুরের বিধায়কের নতুন দল গঠন। তৃণমূল এবং বিজেপি, দুই দলের বিরুদ্ধেই তিনি এই পদক্ষেপ নিচ্ছেন বলে জানিয়ে দিয়েছেন হুমায়ুন কবীর। শুধু তাই নয়, বেশিরভাগ আসন থেকেই তিনি দলীয় প্রার্থীদের জেতানোর আহ্বান জানিয়ে আগামী দিনের বিধানসভায় নির্ণায়ক শক্তি হয়ে উঠবেন বলেও মন্তব্য করছেন। আর এই পরিস্থিতিতে তৃণমূল যখন রাজ্যব্যাপী একটি বিধ্বংসী রাজনীতি করার চেষ্টা করছে, তখন হুমায়ুন কবীরের এই তৃণমূল থেকে বেরিয়ে এসে নতুন দল গঠন করার অপরিসীম সাহস খুব একটা হালকা ভাবে নিচ্ছেন না রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানালেন, গোটা পদক্ষেপ হুমায়ুন কবীর নিয়েছেন তৃণমূলের নির্দেশ মতই।
এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। আর সেখানেই তিনি বলেন, “কে কি বলেছেন, কথা নয়। মানুষ জানে, পশ্চিমবঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজত্বে, এই দোর্দন্ডপ্রতাপ নেত্রীর অধীনে এবং এই বিধ্বংসী আধিপত্যবাদের মধ্যে কেউ একটা দল তৈরি করে ফেলছে, তাও আবার তার দলের বিধায়ক। এটা তৃণমূল না থাকলে হয় নাকি? এটা তৃণমূলের প্ল্যান বি। হুমায়ুনই তৃণমূল, তৃণমূলই হুমায়ুন।”