প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
সম্প্রতি এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তল্লাশি চলাকালীন আইপ্যাকের অফিস এবং প্রতীক জৈনের বাড়িতে পৌঁছে যান এবং সেখান থেকে বেশ কিছু নথি নিয়ে তিনি বেরিয়ে যান। যার পরিপ্রেক্ষিতে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে যে, একজন মুখ্যমন্ত্রী কি করে এই কাজ করতে পারেন? এটা কি আইন ভঙ্গ করা নয়? ইতিমধ্যেই গোটা বিষয়টি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছে গিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ফলে আইন আদালত কি বলবে, সেটা সময় বলবে। তবে এর মাঝেই যেভাবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তল্লাশি চলাকালীন সেখানে পৌঁছে নথি নিয়ে এসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী, তার বিরুদ্ধে পাল্টা নবান্নের সামনে বিজেপি বিধায়কদের নিয়ে তিনি ধর্নায় বসতে চান বলে জানিয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এমনকি পুলিশের কাছে অনুমতি চাওয়া হলেও স্বাভাবিকভাবেই পুলিশ তাদের অনুমতি দেয়নি। আর এর পরেই আদালতে পৌঁছে যায় বিজেপি। অবশেষে গতকাল আদালতে সেই মামলার শুনানিতে বিকল্প জায়গায় বিজেপিকে এই ধর্না কর্মসূচি করার কথা জানালো কলকাতা হাইকোর্ট।
ইতিমধ্যেই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী জানিয়ে দিয়েছিলেন যে, তিনি মুখ্যমন্ত্রী যেভাবে আইন ভঙ্গ করেছেন এবং যেভাবে তল্লাশি চলাকালীন সেখান থেকে বেশ কিছু নথি নিয়ে এসেছেন, তার বিরুদ্ধে তারা প্রতিবাদ করতে চান এবং শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করতে চান। যার কারণে তিনি বিজেপি বিধায়কদের নিয়ে নবান্নের সামনে ধর্নায় বসবেন। তবে পুলিশ অনুমতি না দেওয়ায় তারা আদালতের হয়েছেন বলেও জানিয়ে দিয়েছিলেন শুভেন্দুবাবু। অবশেষে গতকাল আদালতে এই মামলার শুনানিতে নবান্নের সামনে নয়, বিজেপি চাইলে বিকল্প জায়গায় এই কর্মসূচি করতে পারে বলে জানানো হয়েছে।
সূত্রের খবর, গতকাল কলকাতা হাইকোর্টে বিজেপির করা মামলার শুনানি হয়। আর সেখানেই নবান্নের সামনে বিজেপি ধর্না করতে চাইলেও তাদের বিকল্প জায়গার কথা বলে কলকাতা হাইকোর্ট। আদালতের পক্ষ থেকে বলা হয়, বিজেপি চাইলে নবান্ন বাসস্ট্যান্ড বা মন্দিরতলায় এই কর্মসূচি করতে পারে। স্বাভাবিকভাবেই ভারতীয় জনতা পার্টি চাইছে, নবান্নের সামনে ধরনায় বসতে। তবে আদালত তাদের বিকল্প জায়গায় বসার কথা বলেছে। সেদিক থেকে আজ আবার এই মামলার শুনানি রয়েছে। আর সেই শুনানিতে শেষ পর্যন্ত কি নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।