প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং তার দল তৃণমূল কংগ্রেস প্রথম দিন থেকেই এসআইআরের বিরোধিতা করছে। তবে বর্তমানে এসআইআরের যে শুনানি হচ্ছে এবং যেভাবে অনেক নিরীহ মানুষকে ডেকে পাঠিয়ে হয়রান করা হচ্ছে, এর পেছনে কার দায় রয়েছে, এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে একদল অন্য দলকে দায়ী করতে শুরু করেছেন। তবে বিজেপির পক্ষ থেকে যুক্তি দিয়ে বলা হচ্ছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যতই এসআইআরের বিরুদ্ধে মানুষকে হয়রান করার অভিযোগ তুলে নির্বাচন কমিশনকে আক্রমণ করুন না কেন, এর পেছনে সূক্ষ্ম পরিকল্পনা রয়েছে সেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরই। কারণ তার প্রশাসনের আধিকারিকরাই নীচুতলায় এই এসআইআরের কাজ করছে। আর তারা আইপ্যাকের কথামত নিরীহ সাধারণ মানুষকে ডেকে পাঠিয়ে তাদের হয়রান করে ইচ্ছাকৃতভাবে এসআইআর ব্যবস্থাকে ভন্ডুল করার একটা সূক্ষ্ম চিত্রনাট্য তৈরি করেছে। আর তাই মানুষকে যেভাবে ডেকে পাঠানো হচ্ছে এবং হয়রান করা হচ্ছে, এর পেছনেও তৃণমূল সরকার এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দায়ী বলেই অভিযোগ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
বর্তমানে এই রাজ্যের বুকে এসআইআর নিয়ে একটি নতুন সমস্যা দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। প্রচুর সাধারণ মানুষকে, এমনকি সমাজের অনেক বিশিষ্ট মানুষকেও শুনানিতে ডেকে পাঠানো হচ্ছে। প্রথমদিকে এটা বিজেপির ধরতে অসুবিধা হলেও, এখন তারা খুব ভালো মতই বুঝতে পেরেছে যে, এর পেছনে কারা রয়েছে। বিজেপি জানে যে, এই রাজ্যের প্রশাসনের একটা বড় অংশ তৃণমূলের কথামত কাজ করছে। আর তারাই এই এসআইআরের শুনানিকে অনেক সাধারন এবং বিশিষ্ট মানুষকে ডেকে পাঠিয়ে তাদের ক্ষেপিয়ে তোলার চেষ্টা করছে। তাই গোটা ব্যবস্থায় ইচ্ছাকৃত ভাবে মানুষকে হয়রান করার পেছনেও, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিকল্পনা রয়েছে বলে বিস্ফোরক অভিযোগ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।
গতকাল লোকভবনে এই ব্যাপারে রাজ্যপালের সঙ্গে দেখা করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতার নেতৃত্বে বিজেপি বিধায়ক এবং নেতৃত্বরা। আর তারপরেই বাইরে বেরিয়ে এসে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “এসআইআর চলাকালীন এবং বিএলও যারা নিয়োগ করেছিল, এইআরও, ইআরও, এদেরকে দিয়ে নামের ভুল, পদবি ভুল করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে উদ্দেশ্য নিয়ে মানুষকে হয়রানি করছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার, তার প্রশাসন, আইপ্যাক এবং তৃণমূল। গোটা রাজ্য জুড়ে কয়েক লক্ষ নাম এবং পদবীর বানান ভুল। মুখ্যমন্ত্রী এবং আইপ্যাকের নির্দেশে বিএলওরা করছেন। এই পরিকল্পনার পেছনে মুখ্যমন্ত্রী রয়েছেন। আমাদের কাছে ডকুমেন্ট, প্রমাণ রয়েছে।”