প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- গতকাল এক অনুপ্রাণিত মিডিয়াকে দিয়ে ভালোই প্রচার নেওয়ার চেষ্টা করেছেন এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ভোটের আগে তিনি যে ইমেজ বিল্ড আপের খেলায় নেমেছেন, তা বুঝতে পেরেছেন পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ জনতা। গতকাল একটি বেসরকারি সংবাদ মাধ্যম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাক্ষাৎকার নিয়েছে। যেখানে দেখানো হয়েছে, তিনি কতটুকু ঘরে থাকেন, তিনি কিভাবে জীবন ধারণ করেন, ইত্যাদি অনেক বিষয়। তবে বিরোধী নেত্রী তথা সিপিএমের আমলে লড়াই করা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই সংগ্রাম সাধারণ মানুষ বিশ্বাস করতেন। কিন্তু ক্ষমতায় আসার পর তার যে আমূল পরিবর্তন মানুষ দেখতে পাচ্ছে, তা তাই এই ইমেজ বিল্ড আপের চেষ্টা করে সংবাদমাধ্যমের এই সাক্ষাৎকারকে যে মানুষ মোটেই বিশ্বাস করছে না, তা জনতার আলোচনার মধ্যে একটু কান পাতলেই খুব ভালো মতই বুঝতে পারবেন তৃণমূল নেতারা। অন্তত তেমনটাই দাবি করছে বিজেপি। আর আজ সেই কথাই তুলে ধরে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যতই একটি ছোট ঘরে থাকুন, যতই দেখান, তিনি খুব সাধারণ জীবন যাপন করেন, বাস্তবটা যে একেবারেই আলাদা, তিনি যেভাবে জবর দখল করা জায়গায় বাড়ি করে রয়েছেন, তা নিয়ে মারাত্মক তথ্য সামনে আনলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
গতকাল থেকেই একটি বেসরকারি সংবাদমাধ্যমে চোখ রাখলেই দেখা যাচ্ছে যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত জীবন। তিনি কতটুকু বাড়িতে থাকেন, কিভাবে তিনি জীবন ধারণ করেন, কিভাবে তিনি মুখ্যমন্ত্রী হয়েও সাধারণ মানুষের মত থাকেন, এই সমস্ত বিষয় তুলে ধরা হয়েছে। তবে বিধানসভা ভোটের আগে একটি অনুপ্রাণিত মিডিয়াকে দিয়ে যতই এই প্রচার নেওয়ার চেষ্টা করুন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, বাস্তব কিন্তু সাধারণ মানুষ খুব ভালো মতই জানেন। মানুষ বুঝতে পেরেছেন যে, এক সময়কার বিরোধী নেত্রী, যিনি সাদামাটা জীবন ধারণ করতেন, এখন তার জীবন যাপন অনেকটাই বদলে গিয়েছে। তাই তাকে এখন প্রচার নিতে হচ্ছে টিভি চ্যানেলে। আর লোক দেখানো এই সমস্ত কিছুতে যে মানুষ ভুলবে না, মানুষ যে পরিবর্তনের লক্ষ্য এবার অবিচল, ছোটো খাট, পালঙ্ককে দেখিয়ে যে মানুষের মন জয় করতে পারবেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, তা আবারও স্পষ্ট করে দিলেন শুভেন্দু অধিকারী।
এদিন ময়নায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর সেখানেই তিনি বলেন, “জবরদখল করে জায়গায় বাড়ি করে আছেন। যতই নাচুক না কেন মিডিয়াতে, খাট দেখান আর পালঙ্ক দেখান। আপনি আকাশে ওড়েন, এটা সবাই জানে। আপনার পরিবর্তনটা আমরা দেখেছি। আপনাকে মুখ্যমন্ত্রী আমরা করেছিলাম। আর তারপরে আপনার পরিবর্তন দেখে আপনাকে ওই কারণে ছেড়ে এসেছি। আমি তো সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছি। উনি তো জায়গা কিনেছেন। এত টাকা পেলেন কোথা থেকে? এ তো মেদিনীপুরের লোক। সাতমাইলে বাড়ি। ওখানে দোকান করে। ওর কাছ থেকে ভয় দেখিয়ে জায়গা কিনেছে।”