প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
বিজেপি কর্মীরা লড়াই করছে পরিবর্তনের জন্য। তবে যে মানুষটি সামনে সারিতে দাঁড়িয়ে পশ্চিমবঙ্গে প্রতিনিয়ত তৃণমূলের সঙ্গে চোখে চোখ রেখে লড়াই করছেন, সেই মানুষটির মনোভাব কি? তিনি কি ভাবছেন? সত্যিই এবার পরিবর্তন হবে তো? ২০২১ এর মত আবার দিনের শেষে বিরোধী আসনে বসতে হবে না তো বিজেপিকে? তাই শুভেন্দু অধিকারীর বডি ল্যাঙ্গুয়েজের দিকে নজর রয়েছে রাজ্যের পরিবর্তনকামী সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে বিজেপি নেতাকর্মীদের। শুভেন্দুবাবুর কনফিডেন্ট মনোভাব দেখে তারা আরও বেশি করে লড়াইয়ের ময়দানে নামছেন। তবে আজ নদীয়ায় এক সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে শুভেন্দুবাবু যে কথা বলে দিলেন, তাতে বাড়তি উৎসাহ পাচ্ছেন রাজ্যে পরিবর্তনের লক্ষ্যে লড়াই করা বিজেপি নেতা কর্মী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ।
হাতে আর কয়েকটি মাস বাকি। তারপরেই পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন শেষে ফলাফল ঘোষণা হয়ে যাবে। তবে এবার যদি পরিবর্তন না করানো যায়, তাহলে যে ভবিষ্যতে আরও ভয়ংকর দিন আসতে চলেছে, তা খুব ভালো মতই জানেন বিজেপি নেতা কর্মীরা। ২০২১ এর পর যেভাবে ভোট পরবর্তী হিংসা শুরু হয়েছিল, তাতে এবার পরিবর্তন না হলে তাদের কপালে যে বড় দুর্ভোগ অপেক্ষা করছে, তা সকলেই বুঝতে পারছেন। তাই শুভেন্দু অধিকারী যেভাবে জেলায় জেলায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে লড়াই করছেন, সমস্ত হিন্দু ভোটকে একত্রিত করার চেষ্টা করছেন, তাতে তার সাথী হচ্ছেন রাজ্যের সাধারন মানুষ থেকে শুরু করে বিজেপি কর্মীরা। তবে তৃণমূলের মত দল যেভাবে প্রতিমুহূর্তে চক্রান্ত করছে, তাতে তাদেরকে আটকানো কি সহজ হবে? রাজ্যে পরিবর্তন নিয়ে শুভেন্দু অধিকারী কি ভাবছেন! এই প্রশ্ন সকলের মধ্যেই রয়েছে। আর আজ সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে শুভেন্দু অধিকারী সেই সমস্ত সংশয় এক বাক্যে দূর করে দিলেন। স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিলেন, এপ্রিলের পর আর থাকবে না তৃণমূল।
এদিন নদীয়ায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর সেখানেই এক সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে তিনি তৃণমূলের জঘন্য রাজনীতি নিয়ে কটাক্ষ করেন। শুভেন্দুবাবু বলেন, “এরা সামনে আসতে পারে না। পেছনে চোরের মত করে। আমি এখান থেকে চলে যাবো, তারপরে এখানে চিপসের প্যাকেট, লজেন্সের খোলা, দাঁত খোঁচানোর কাঠি, এগুলো ঝাড় দিতে আসবে। এগুলো কন্টিনিউ করছে। আর কয়েকটা দিন করে নিক। এপ্রিল মাসের পরে এরা থাকবে না। যতই এদের সেবা করুন, এবার এদের বাঁচাতে পারবেন না। এবার হিন্দুরা ঠিক করেছে, সঙ্গে রাষ্ট্রবাদী মুসলিমদের নিয়ে, এবারে এদের হারাবে।”