প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
দেশের মানুষের স্বার্থকে সব সময় আগে রেখেই পথ চলেছেন তিনি। আর সেই কারণেই আজ শুধু তিনি ভারতের নয়, বিশ্বের সবথেকে অন্যতম বড় নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। তার নাম নরেন্দ্র মোদী। ইতিমধ্যেই পরিবর্তনের লক্ষ্যে কাজ করছে বিজেপি বাংলায় পরিবর্তন যে শুধুমাত্র সময়ের অপেক্ষা, তা অনেকেই বলতে শুরু করেছেন। আর এই পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রীর আজ মালদহ সফর এবং সেখান থেকে বক্তব্য রাখা ঘিরে উচ্ছাস ছিলো সাধারণ মানুষদের মধ্যে। আর তিনি যখন মালদহে বিজেপির পরিবর্তন সংকল্প সভায় বক্তব্য রাখতে উঠলেন, ঠিক তখনই বাঁধভাঙ্গা উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যায় জনতার। প্রধানমন্ত্রীকে নিজের চোখে দেখার জন্য অনেকে ভিড় অতিক্রম করে বাঁশের ব্যারিকেডের মধ্যে উঠে যান। আর জনতার এই উচ্ছ্বাসের ফলে যাতে কারোর জীবনে কোনো বিপদ না নেমে আসে, যাতে কেউ আঘাত না পান, তার জন্য বক্তব্যের একদম শুরুতেই অভিভাবকের মত সকলকে সামলে নেওয়ার চেষ্টা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

এদিন মালদহের সভায় প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য শোনার জন্য জনতার ভিড় ছিলো উপচে পড়ার মত। তবে প্রধানমন্ত্রী যখন মঞ্চে আসেন, তখন বাঁধভাঙ্গা উচ্ছ্বাস তৈরি হয় সকলের মধ্যে। প্রধানমন্ত্রীকে সামনে থেকে দেখতে পাওয়ার সুযোগ কেউ হাতছাড়া করতে চাননি। তাই প্রচন্ড ভিড়ে যারা দূর থেকে প্রধানমন্ত্রীকে দেখতে পাচ্ছিলেন না, তারা স্বচক্ষে নরেন্দ্র মোদীকে দেখার জন্য বাঁশের ব্যারিকেডের মধ্যে উঠে যান। তবে সেই বিষয়টি লক্ষ্য করেই জনতার আবেগকে সম্মান দিয়ে কোনো বিপর্যয় এবং কোনো দুর্ঘটনা যাতে না ঘটে, তার জন্য সকলকে সেই ব্যারিকেড থেকে নেমে আসার বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

এদিন মালদহের সভায় বক্তব্য রাখতে উঠেই প্রধানমন্ত্রী লক্ষ্য করেন যে, বাঁধভাঙ্গা উচ্ছ্বাস। এমনকি কিছু মানুষ বাঁশের ব্যারিকেডের ওপর উঠে গিয়েছেন। আর তাদেরকে উদ্দেশ্য করেই নরেন্দ্র মোদী বলেন, “কারও চোট লাগলে আমার কষ্ট হবে। আমাকে দেখতে না পেলেও আমার কথা শুনতে পারবেন। হৃদকম্পন শুনতে পারবেন। আমার কাছে আপনাদের জীবন অনেক মূল্যবান। দয়া করে নিচে আসুন। তাড়াতাড়ি নামুন। পড়ে যাবেন।” অর্থাৎ সবাই শুধু ভিড় করাই নয়, যারা সভায় এসেছেন, তারা সকলে যাতে শান্তিপূর্ণভাবে বাড়ি ফিরে যেতে পারেন, সেই বিষয়টি নিশ্চিত করার দিকেও জোর দিয়ে অভিভাবক সুলভ মনোভাব দেখা গেল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর।