প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যের বুকে বিরোধী শক্তিকে একেবারে প্রাণে মারতে চাইছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। সম্প্রতি চন্দ্রকোনায় কনভয়ে যেদিন হামলার ঘটনা ঘটেছিল, সেদিন সেই অভিযোগ করেছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর তার সেই বক্তব্য যে সত্যি, তা আজ বাঁকুড়ার ওন্দায় এক বিজেপি নেতার বাড়িতে যে ঘটনা ঘটে গেল, তারপরে প্রমাণ হয়ে গেল বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। যেখানে এক বিজেপি নেতার বাড়িতে তারা ঘুমোচ্ছিলেন ভেবে বাইরে থেকে শিকল লাগিয়ে দিয়ে তার গোটা বাড়ি আগুনে ভস্মীভূত করে দেওয়ার চেষ্টা হয়। কোনোরকমে প্রাণে বাঁচেন তারা। আর সেই ঘটনাতেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল উঠতে শুরু করেছে।
প্রসঙ্গত, এই রাজ্যের বুকে বিরোধী নেতা কর্মীদের যে নিরাপত্তা বলতে কিছু নেই, তা প্রতি মুহূর্তে স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তৃণমূল কংগ্রেস খুব ভালো মতই বুঝতে পারছে যে, এবার তাদের ক্ষমতায় আসার পথ অতটা সহজ হবে না। আর সেই কারণেই তারা হিংসাত্মক পথকে বেছে নিয়ে যেভাবেই হোক, বিরোধী নেতাদের প্রাণে মেরে ফেলার চেষ্টা শুরু করেছে বলেই অভিযোগ করছে বিজেপি। আর তার মধ্যেই গতকাল বাঁকুড়ার ওন্দার নন্দনপুর গ্রামে ঘটে গিয়েছে এক ভয়াবহ নৃশংস ঘটনা।
জানা গিয়েছে, বাঁকুড়ার ওন্দার নন্দনপুর গ্রাম বিজেপির অত্যন্ত শক্তিশালী ঘাঁটি। সেখানেই বিজেপির সক্রিয় কর্মী বলে পরিচিত তাপস বারিক। প্রথমে তাকে তার ওষুধের দোকানে হেনস্থা করার চেষ্টা হয়। পরবর্তীতে সেই দোকান ভাঙচুর করার পর তার বাড়িতে হামলা চালায় বলে অভিযোগ। যেখানে তার বাড়ির ভেতরে সপরিবারে তাকে প্রাণে মেরে ফেলার চেষ্টা হয়। আর সেই কারণে বাইরে থেকে শিকল লাগিয়ে দিয়ে তার বাড়িতে পেট্রোল ঢেলে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া হয়, যাতে গোটা পরিবারকে শেষ করে দেওয়া যায়। স্বাভাবিকভাবেই তাপস বারিকের মত সক্রিয় বিজেপি কর্মীর বাড়িতে এই ধরনের হামলার ঘটনার রীতিমত চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। ভোটের আগে এভাবেই বিরোধী নেতা কর্মীদের প্রাণে মেরে ফেলার চেষ্টা করে ক্ষমতায় টিকে থাকতে চাইছে তৃণমূল বলেই অভিযোগ গেরুয়া শিবিরের।