প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিরোধী শক্তিকে ঠিক কতটা ভয় পান, তা বিভিন্ন ঘটনার মধ্যে দিয়েই প্রমাণ হয়ে যায়। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় যেখানেই বিরোধীরা কোনো কর্মসূচি করতে যায়, সেখানেই তাদের বাধা দান করা হয়। আর মুখ্যমন্ত্রীর নিজের বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুরে পুলিশের গতিবিধি এত বেশি থাকে যে, সেখানে তো বিরোধীরা কোনো কিছু করারই সুযোগ পায় না। তবে সামনেই নির্বাচন। যে কোনো কারোরই গণতান্ত্রিক অধিকার রয়েছে, লড়াই করার। তাই আজ ভবানীপুর গিয়ে দেওয়াল লিখন করে গৃহ সম্পর্ক অভিযান করেছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। আর সেখানে পৌঁছেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি যে কথাটা বলে দিলেন, তারপর আরও বেশি করে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ভূমিকা নিয়ে। যেখানে ভারতবর্ষের কোনো রাজ্যে এই জিনিস ঘটেনি, সেখানে সংস্কৃতির রাজ্য বলে পরিচিত, সংস্কৃতির রাজধানী বলে পরিচিত কলকাতায় যেখানে মুখ্যমন্ত্রীর নিজের বিধানসভা কেন্দ্র, সেখানে কেন গণতন্ত্রকে ভুলুন্ঠিত করার মত এত ভয়াবহ ঘটনা ঘটলো, তা নিয়ে উঠতে শুরু করেছে প্রশ্ন।

২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে ক্রমশ প্রচারে গতি বাড়াচ্ছে বিজেপি। এখনও পর্যন্ত ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হয়নি। তবে তাই বলে বসে থাকতে রাজি নয় গেরুয়া শিবির। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর নিজের বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুরে পৌঁছে গিয়েছেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। যেখানে একের পর এক বাড়িতে গিয়ে জনসংযোগ করছেন তিনি। আর সেই কর্মসূচি থেকেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নিজের বিধানসভা কেন্দ্রে কিভাবে ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনা ঘটেছে এবং এখানে কিভাবে গণতন্ত্রকে হত্যা করা হয়েছে, তার আরও এক নিদর্শন তুলে ধরলেন রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি।

প্রসঙ্গত এদিন ভবানীপুরে গিয়ে প্রচার কর্মসূচিতে শামিল হন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। আর সেখানেই এই ভবানীপুর বিধানসভার বিধায়ক তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেন তিনি। সুকান্তবাবু বলেন, “গণতন্ত্র তো এখানে নেই‌। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তো এখানে গণতন্ত্র রাখেননি। স্বাভাবিক ভাবেই তার নিজের বিধানসভা কেন্দ্রেও গণতন্ত্র বলতে কিছু নেই। ভবানীপুর এমন বিধানসভা কেন্দ্র, যেটা মুখ্যমন্ত্রীর বিধানসভা কেন্দ্র হওয়া সত্ত্বেও, সেখানে বিজেপির পার্টি অফিস ২০২১ সালে পোড়ানো হয়েছিল। ভারতবর্ষের কোথাও কোনো মুখ্যমন্ত্রীর বিধানসভা কেন্দ্রে এমনটা হয় না। তৃণমূল ভয় পেয়েছে‌। সেই কারণেই এই সমস্ত কিছু করছে।”