প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যে এসে অমিত শাহ বার বার করে হুমায়ুন কবীরের বাবরি মসজিদ স্থাপন নিয়ে আক্রমণ করেছেন। নীতিগতভাবেও তারা যে এই বাবরি মসজিদ স্থাপনের বিরোধীতা বারবার করে বুঝিয়ে দিয়েছে বিজেপি। কিন্তু বিজেপি পরিচালিত কেন্দ্রের যে সরকার রয়েছে, তারা আর যাই হোক, তৃণমূল কংগ্রেসের মত প্রতিহিংসার রাজনীতি করে না। তারা যে মতেরই রাজনীতিবিদ হোক না কেন, তাদের সুরক্ষার জন্য সব সময় চিন্তা করে। আর তৃণমূল কংগ্রেস, এখানে বিরোধী রাজনীতি যারা করে, তাদের প্রতি মুহূর্তে বিপাকে ফেলতে চায়। প্রতিমুহূর্তে তারা যাতে অসুবিধের মধ্যে পড়ে সেই চেষ্টা করতে চায়। কিন্তু বিজেপি এবং কেন্দ্রীয় সরকার যে এক্ষেত্রে একেবারেই ব্যতিক্রম বিরোধী মত হলেও এবং তাদের কট্টর বিরোধী হলেও তার সুরক্ষার জন্য যে তারা বিন্দুমাত্র কার্পণ্য করে না, তা আরও একবার বুঝিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

কেন্দ্রের বর্তমান সরকার আর যাই হোক, প্রতিহিংসার রাজনীতি করে না। বারবার করে এটা প্রমাণ হয়েছে। তাদের কাছে রাজনৈতিক মত ও পথের বিরোধী হুমায়ুন কবীর। তিনি নতুন দল গঠন করেছেন। বাবরি মসজিদের শিলান‌্যাস করেছেন। বারবার করে এসে সেই বিষয়ে আক্রমণ করেছেন কেন্দ্রীয় নেতারা। এমনকি স্বয়ং অমিত শাহ নিজেও এই বিষয়টি তুলে ধরে সোচ্চার হয়েছেন। তবে রাজনৈতিক আক্রমণ তার নিজস্ব জায়গায় থাকবে। কিন্তু তার প্রভাব যেন কারওর ওপর না পড়ে। আর তাই হুমায়ুন কবীর কেন্দ্রীয় সুরক্ষার জন্য আবেদন করলে এবার তাকে সেই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা প্রদান করলো অমিত শাহের মন্ত্রক।

সূত্রের খবর, এদিন ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের পাশে প্রচুর নিরাপত্তা রক্ষীকে দেখতে পাওয়া যায়। জানা গিয়েছে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের পক্ষ থেকে তাকে ওয়াই প্লাস ক্যাটাগরির নিরাপত্তা প্রদান করা হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই এই বিষয়টি নিয়ে এখন তৃণমূল বলতেই পারে যে, বিজেপির সঙ্গে একটা সেটিং রয়েছে এই হুমায়ুন কবীরের। তাই তাকে এই নিরাপত্তা প্রদান করা হয়েছে। কিন্তু তৃণমূলের ভাবনা যে কারও সঙ্গে মিলবে না, তারা যে সব সময় প্রতিহিংসা করে, যারা বিরোধী মত তাদের সহ্য করতে পারে না, তা স্পষ্ট। ফলে তৃণমূলের মতো নয়, বিজেপি যে ব্যতিক্রম এবং রাজনৈতিক লড়াইকে আলাদা রেখে ব্যক্তি সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে যাকে যা নিরাপত্তা প্রদান করা দরকার, তা যে কেন্দ্রীয় সরকার এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক করে এবং এখানে যে তারা কোনো রাজনীতির বাছবিচার করে না, তা আরও একবার বুঝিয়ে দিলেন অমিত শাহ বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।