প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কিছুদিন আগে সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের উত্তরে রীতিমত মেজাজ হারিয়ে অমিত শাহ থেকে শুরু করে শুভেন্দু অধিকারীর নাম করে তারা কয়লা চুরির টাকা নিয়েছে বলে প্রকাশ্যে মন্তব্য করেন। আর তারপরেই মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিয়ে আইনজীবী মারফত তাকে নোটিশ পাঠান রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হয়ত ভাবতে পারেননি যে, তাকে এই কঠিন পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হবে। কিন্তু এবার আইনজীবী মারফত নোটিশ পাঠানোর পরেও মুখ্যমন্ত্রী যখন সঠিক কোনো তথ্য প্রমাণ তিনি শুভেন্দু অধিকারী সম্পর্কে যে সমস্ত কথা বলেছেন, তার স্বপক্ষে দিতে পারেননি, তখন এবার যে তাকে আরও বড় বিপদের মুখে পড়তে হবে, এবার সেই বিষয়টি তুলে ধরে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে মুখ্যমন্ত্রীর অস্বস্তি বাড়িয়ে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।
সম্প্রতি এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী আইপ্যাকের অফিসে এবং প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি চলাকালীন সেখানে পৌঁছে যান এবং বেশ কিছু নথি সেখান থেকে নিয়ে আসেন। যা নিয়ে বিভিন্ন মহলে বিতর্ক হচ্ছে যে, একজন মুখ্যমন্ত্রী প্রশাসনিক পদে থাকার সময় তদন্তকারী সংস্থা যখন তদন্ত চালাচ্ছে, তখন সেখানে কি করে পৌঁছে গেলেন? কেন তিনি সেখান থেকে নথি নিয়ে এলেন? কেন মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ হবে না? আর এই সমস্ত প্রশ্নের মাঝেই এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নোটিশ পাঠানোর পর সেই নোটিশের সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার পরেও যখন মুখ্যমন্ত্রী কিছুই বলতে পারেননি, তখন পাল্টা হুশিয়ারি দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। কিছুক্ষণ আগেই সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করেছেন তিনি। আর সেখানেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আদালতে দেখা হবে বলে মন্তব্য করেছেন নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক।
সূত্রের খবর, এদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর সেখানেই মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে তিনি লেখেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মনে হয় বুঝে উঠতে পারেননি আমার উকিল সাহেবের মাধ্যমে পাঠানো মানহানি নোটিশের কি জবাব দেবেন ! তাঁকে দেওয়া সময়সীমা এখন অতিক্রম হয়ে গেছে, এবং মুখ্যমন্ত্রী তাঁর আচরণের মাধ্যমে স্পষ্ট করেছেন যে আমার নাম কয়লা কেলেঙ্কারিতে জড়িত বলে তাঁর কল্পিত অভিযোগ গুলির কোনো স্পষ্ট প্রমাণ নেই ওনার কাছে, অভিযোগগুলি সম্পূর্ণ তাঁর মস্তিষ্কপ্রসূত, তাই বিপাকে পড়ে তিনি কোনো উত্তর দিতে পারেননি। এবার উনি আদালতে আইনি পরিণতির সম্মুখীন হওয়ার জন্য প্রস্তুত হোন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এবার আপনার সাথে আদালতে দেখা হবে।”