প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী প্রতিমুহূর্তে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং তার দল তৃণমূল কংগ্রেস কিভাবে চাপে রাখতে হয়, তা খুব ভালো মতই প্রথম দিন থেকে করে আসছেন। আদালত থেকে শুরু করে রাজনৈতিক ক্ষেত্রে প্রতি পদে পদে তৃণমূলকে গোল খাইয়ে দিচ্ছেন তিনি। অন্তত বিশেষজ্ঞরা তেমনটাই বলছেন। সম্প্রতি এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কয়লা পাচারের টাকা শুভেন্দু অধিকারীর মাধ্যমে অমিত শাহের কাছে গিয়েছে বলে একটি মন্তব্য করেছেন। আর তারপরেই মুখ্যমন্ত্রীকে আইনজীবী মারফত নোটিশ পাঠিয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এমনকি নির্দিষ্ট সময়সীমা দিয়ে তা প্রমাণ করার দাবি করেছিলেন তিনি। কিন্তু সেই সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার কারণে আজ সকালেই শুভেন্দু অধিকারী নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে জানিয়ে দেন যে, মুখ্যমন্ত্রী সঠিক প্রমাণ তার বক্তব্যের স্বপক্ষে দিতে পারেননি, তাই এবার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে তার আদালতের দরজায় দেখা হবে। আর এবার সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে চলতি সপ্তাহেই যে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে তিনি বড় পদক্ষেপ নিতে চলেছেন, তা জানিয়ে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় প্রতিমুহূর্তে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে অত্যন্ত চাপে পড়ে যাচ্ছেন। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা প্রতি পদে পদে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর অস্বস্তি বাড়িয়ে দিচ্ছেন। রাজনৈতিক ক্ষেত্রে তো বটেই, বিভিন্ন ক্ষেত্রে আইন আদালতের শরণাপন্ন হয়েও রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধানের মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছেন তিনি। আর এই পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রী কিছুদিন আগে কয়লা পাচারের টাকা শুভেন্দু অধিকারীর মাধ্যমে অমিত শাহের কাছে গিয়েছে বলে যে বক্তব্য রেখেছিলেন, তার পরিপ্রেক্ষিতে তাকে একটি নোটিশ পাঠিয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তার জবাব না দেওয়ার কারণে এবার আদালতের দরজায় গিয়ে যে মুখ্যমন্ত্রীকে তিনি যোগ্য জবাব দেবেন, তা আজ সকালেই জানিয়ে দিয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। আর ঝাড়গ্রাম থেকে সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে আরও বড় কথা জানিয়ে দিলেন তিনি।

এদিন ঝাড়গ্রামে গিয়ে পিঠে পুলি উৎসবে সামিল হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর সেখানেই সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, অমিত শাহ, রাজনাথ সিংজিরা ভাগ নেয়। আমি এই ব্যাপারে পদক্ষেপ নিয়েছি। মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, পেনড্রাইভ আছে। আমি বলেছিলাম, তিন দিনের মধ্যে প্রমাণ দিন, না হলে ক্ষমা চান। প্রমানও দেননি, ক্ষমাও চাননি। আমি আগামী শুক্রবার ১৬ তারিখে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা ফাইল করছি।”