প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- সম্প্রতি রাজ্যে এসে অপমানিত হয়েছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। নিজের মুখেই অসন্তোষের কথা জানিয়েছেন তিনি। যা নিয়ে গোটা দেশ তোলপাড়। সকলেই নিন্দা জানাচ্ছেন এই রাজ্য প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে। কিন্তু তারপর নিজেদের দোষ, ত্রুটি দেখতে না পেয়ে উল্টে আবার একটি ছবিকে সামনে এনে প্রধানমন্ত্রী বসে থাকলেও কেন রাষ্ট্রপতি দাঁড়িয়ে আছেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিষয়টিকে ঘোরানোর চেষ্টা করছে এই রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। তবে এই সমস্ত ছবি এনে তৃণমূল যতই অন্যরকম প্রচার করার চেষ্টা করুক, তাদের সেই প্রচারে কার্যত জল ঢেলে দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার।

সম্প্রতি এই রাজ্যে এসেছিলেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। কিন্তু সেখানে প্রশাসনের পক্ষ থেকে মুখ্যমন্ত্রী এবং কোনো মন্ত্রী তাকে স্বাগত জানাননি। যা নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেছিলেন তিনি। এমনকি প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারবার তার অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে যে স্থান বদল করা হয়েছে, তা নিয়েও তিনি যে অত্যন্ত ক্ষুব্ধ, তা স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন দেশের সাংবিধানিক প্রধান। আর রাষ্ট্রপতির অপমানের পর প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, সকলেই গোটা ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছিলেন এই তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে। স্বাভাবিক ভাবেই তৃণমূল কংগ্রেস এই গোটা ঘটনায় অত্যন্ত চাপে পড়ে গিয়েছে। তাই খেলাকে ঘোরাতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখন রাষ্ট্রপতির অপমান প্রধানমন্ত্রী করেছেন বলে একটি ছবিকে সামনে এনে বিভিন্ন রকম প্রচার এবং বক্তব্য রাখার চেষ্টা করছেন। আর সেই বিষয় নিয়েই এবার পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার।

এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। আর সেখানেই তিনি বলেন, “দেখুন, কোন অনুষ্ঠানে এইসব হয়েছে, জানা নেই। তবে রাষ্ট্রপতি যখন ভাষণ দেন, আমাদের শিক্ষা দপ্তরের অনেক অনুষ্ঠানেও, তখন তো আমরাও বসে থাকি। উনি এলে আমরা দাঁড়াই। কিন্তু তার মানে তো এটা নয় যে, উনি যখন ভাষণ দেবেন, ততক্ষণ আমরা দাঁড়িয়ে থাকবো। ওনাকে বলব, এইসব না করে আপনি কি করেছেন, সেটা নিয়ে আলোচনা করুন। আপনি বাংলার মান সম্মান জলাঞ্জলি দিয়েছেন। আর সেটা একজন মহিলা আদিবাসী সমাজ থেকে উঠে এসেছেন বলেই আপনি এইসব করেছেন।”