প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- কলকাতার উপকণ্ঠে নাজিরাবাদে সম্প্রতি যে ঘটনা ঘটে গিয়েছে, তাতে রীতিমত উত্তাল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। যেভাবে প্রচুর ছেলের মৃত্যু হয়েছে, তার দায় কে নেবে, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে বিরোধীরা। জলাজমি ভরাট করে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রচুর মানুষের প্রাণ চলে যাওয়ার পরেও প্রশাসনের দায়বদ্ধতা নিয়ে উঠতে শুরু করেছে প্রশ্ন। গতকাল হাইকোর্ট থেকে অনুমতি পাওয়ার পর আজ সেই ঘটনায় নরেন্দ্রপুর থানা চলো অভিযান ডাক দিয়েছে বিজেপি। যেখানে প্রচুর মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আর সেই কর্মসূচিতেই যোগ দিতে গিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তার অভিযোগ, ওয়াও মোমোর মালিক মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বিদেশ সফর করেছেন। তাই তাকেও গ্রেফতার করতে হবে।

প্রসঙ্গত, আনন্দপুরের কাছে নাজিরাবাদের গোডাউনে যে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, তাতে প্রচুর মানুষের প্রাণ চলে গিয়েছে। অনেক দেহ এখনও পর্যন্ত শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। ফলে মৃত্যুর সংখ্যা ক্রমশ বাড়তে শুরু করেছে। সকলেই প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। ঘটনা ঘটার অনেক পরে দমকল এসেছে বলে অভিযোগ করছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আজ সেই ঘটনার প্রতিবাদেই বিজেপির পক্ষ থেকে একটি মিছিলের আয়োজন করা হয়েছে। যে কর্মসূচি থেকে যারা এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত, তাদের প্রত্যেকের গ্রেপ্তারি দাবি করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

ইতিমধ্যেই বিজেপির পক্ষ থেকে নরেন্দ্রপুর থানা চলো অভিযানের অঙ্গ হিসেবে মিছিল শুরু হয়ে গিয়েছে। আর সেই মিছিলেই যোগ দিতে গিয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “এই ঘটনার পেছনে সরকার, পুলিশ এবং স্থানীয় বিধায়ক রয়েছে। সকলে মধু খেয়েছে। গোডাউনের মালিক গঙ্গাধর দাস যেমন আছেন, তেমনই মোমোর মালিকও আছেন। যিনি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বিদেশ সফর করেছেন। জলাভূমিতে বিনা অনুমতিতে যে সমস্ত জায়গা দখল হয়েছে, তার তালিকা প্রকাশ করতে হবে। পাশাপাশি নিখোঁজদের খুঁজে দিতে হবে এবং ৫০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ এবং সরকারি চাকরি দিতে হবে। এর পেছনে যারা রয়েছে, তাদের প্রত্যেককে গ্রেফতার করতে হবে। অবিলম্বে মোমোর মালিককেও গ্রেফতার করতে হবে।”