প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
রাজ্যে যে নিয়োগ দুর্নীতি হয়েছে এবং তাতে যেভাবে প্রতারিত হয়েছেন শিক্ষিত মেধা যুক্ত যুবক যুবতীরা, তা নিয়ে দীর্ঘ আন্দোলন হয়েছে। অনেকেই জেলে গিয়েছেন। ইতিমধ্যেই আদালতের নির্দেশে এসএসসি নতুন করে পরীক্ষা নিয়েছে। সেই পরীক্ষাতেও অস্বচ্ছতার আশঙ্কা করছেন চাকরিপ্রার্থীরা। আর এসবের মধ্যেই পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পর এবার জামিন পেয়ে গেলেন কল্যানময় গাঙ্গুলি। যার ফলে যারা যোগ্য চাকরিহারা শিক্ষক-শিক্ষিকা রয়েছেন, তারা সকলেই হতাশা প্রকাশ করছেন। তবে একটি সময় পর সকলে জামিন পেয়ে গেলেও এর পেছনে যে বড় মাপের দুর্নীতি হয়েছে এবং যারা এই দুর্নীতি করেছেন, তাদের কথা উল্লেখ করে যোগ্য চাকরিহারা শিক্ষক শিক্ষিকা এবং চাকরিপ্রার্থীদের বার্তা দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি।
কিছুদিন আগেই রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায় যিনি প্রায় সাড়ে তিন বছরের মত সময় জেলে ছিলেন, তিনি জামিন পেয়ে গিয়েছেন। আর সেই সময় থেকেই চাকরিহারারা হতাশ হয়ে পড়েছিলেন। গতকালই আবার খবর আসে যে, এই নিয়োগ দুর্নীতিতে জেলে থাকা কল্যাণময় গাঙ্গুলির জামিন হয়ে গিয়েছে। আর যাদের জন্য দুর্নীতি হয়েছে, যারা দুর্নীতি করে জেলে গিয়েছেন, তারা যখন জামিন পেয়ে যাচ্ছেন, তখন স্বাভাবিকভাবেই হতাশা বেড়েছে চাকরিহারাদের মধ্যে। তাই তারা নিজেদের অভিব্যক্তি প্রকাশ করতে শুরু করেছেন। তবে সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে বড় মন্তব্য করলেন শমীক ভট্টাচার্য।
এদিন নিয়োগ দুর্নীতিতে কল্যাণময় গাঙ্গুলির জামিন পাওয়া প্রসঙ্গে শমীকবাবুকে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা। আর সেই ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে রাজ্য বিজেপির সভাপতি বলেন, “বেল পাওয়া আইনি অধিকারের মধ্যে পড়ে। বেল পাওয়া মানেই অভিযোগ মুক্ত হয়ে যাওয়া নয়। কিন্তু কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায় বা পার্থ চট্টোপাধ্যায় এই প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতিকে সংগঠিত করেছিল, এটা পশ্চিমবঙ্গের কোনো মানুষ বিশ্বাস করে না। এই দুর্নীতি প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতি। তৃণমূলের সর্বোচ্চ নেতৃবৃন্দের দুর্নীতি।”