প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যে যে নিয়োগ দুর্নীতি হয়েছে এবং বড় মাপের দুর্নীতি হয়েছে, তা ইতিমধ্যেই সকলের কাছেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। তবে সেই নিয়োগ দুর্নীতিতে একের পর এক ব্যক্তি বর্তমানে জামিন পেয়ে যাচ্ছেন। আগেই অনেকে জামিন পেয়ে গিয়েছেন। কিছুদিন আগে জামিন পেলেন রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। আজ আবার কল্যাণময় গাঙ্গুলীর জামিন পাওয়ার খবর সামনে এসেছে। স্বাভাবিকভাবেই যারা দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার, তারা অনেকেই হতাশ হয়ে পড়ছেন। তবে গোটা বিষয়ে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে বড় মন্তব্য করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
এই রাজ্যে তৃণমূলকে সরানোর পেছনে যে সমস্ত বড় ইস্যু কাজ করছে, তার মধ্যে অন্যতম নিয়োগ দুর্নীতি। বিরোধী দল থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষ, প্রত্যেকের মুখে মুখে একটাই কথা যে, বর্তমান সরকারের আমলে বেকার যুবকদের ভবিষ্যৎ নষ্ট হয়ে গিয়েছে। কারণ টাকার বিনিময়ে অযোগ্যদের চাকরি দেওয়া হয়েছে। যার ফলে নেতা, মন্ত্রীরা পর্যন্ত জেল খেটেছেন। কিন্তু বর্তমানে দেখা যাচ্ছে, অনেকেই জেল থেকে ছাড়া পেয়ে যাচ্ছেন, জামিনে মুক্ত হচ্ছেন। যার ফলে সাধারণ মানুষ অনেকটাই হতাশ। তবে আইনের মারপ্যাচের কথা উল্লেখ করে সেই ব্যাপারেই বড় কথা জানিয়ে দিলেন শুভেন্দু অধিকারী।
এদিন পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পর কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়ের জামিন নিয়ে শুভেন্দুবাবুকে প্রশ্ন করা হয়। আর সেই ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “এটা তো একটা সাময়িক বেল। কারণ এরা যে কেসে চার্জশিটেড হয়েছে, ট্রায়াল চলছে। কনভিকশন তো ডিক্লেয়ার হয়নি। ওটাতে ৬ বছরের সাজা রয়েছে। একটা সুপ্রিম কোর্ট এবং অন্যান্য কোর্টের কনভেনশন আছে যে, মূল যে সাজা, চার্জশিটেড হয়ে গেলে, তার এক তৃতীয়াংশ তিনি যদি জেলে থাকেন, তাহলে বেল পায়। এরা তিন বছরের বেশি জেল খেটেছে, এদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত হয়েছে। সাথে সাথে এরা চার্জশিটেড, ট্রায়াল চলছে। পার্থ চ্যাটার্জির নিজের জামাই সাক্ষী হয়েছে। আর এরা শাস্তি পেলে এদের আরও যে বাকি সময়টা, সেটাও জেলে কাটাতে হবে।”