প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং তৃণমূল সরকারকে কি করে কাবু করতে হয়, তার জন্য প্রতি মুহূর্তে কৌশল অবলম্বন করছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। বিভিন্ন জায়গায় তাকে সভা, সমিতি থেকে শুরু করে বিভিন্ন কর্মসূচি করা থেকে আটকাতে গেলেও আদালত থেকে অনুমতি নিয়ে আসছেন তিনি। সম্প্রতি অমিত শাহের দপ্তরের সামনে গিয়ে হট্টগোল করার চেষ্টা করেছে তৃণমূলের প্রতিনিধিরা। আর সেই ব্যাপারে প্রশ্ন তুলেই এবার পাল্টা নবান্নের সামনে তিনি বিজেপি বিধায়কদের নিয়ে ধর্নায় বসবেন বলে জানিয়ে দিয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। গতকাল এই ব্যাপারে কলকাতা হাইকোর্টের শুনানি ছিলো। কিন্তু সেখানে আদালত জানিয়ে দিয়েছে যে, নবান্নের সামনে নয়, বিকল্প জায়গায় বসতে পারে বিজেপি। আজ আবার সেই মামলার শুনানি রয়েছে। তবে তার আগেই বিকল্প জায়গা হিসেবে মন্দিরতলা বাসস্ট্যান্ডে যে তারা এই অবস্থানে বসবেন না, তা স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তার বক্তব্য, যে ভাষায় কথা বললে তৃণমূল সরকার সন্তুষ্ট হয়, সেই ভাষাতেই তাদের জবাব দেওয়া হবে।

গতকাল কলকাতা হাইকোর্টে বিজেপির পক্ষ থেকে নবান্নের সামনে ধর্না নিয়ে যে আবেদন জানানো হয়েছিল, সেই মামলার শুনানি হয়েছে। আর সেখানেই আদালত জানিয়ে দিয়েছে যে, নবান্নের সামনে নয়, বিকল্প জায়গায় বসতে পারে বিজেপি। তবে যে জায়গা আদালতের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তাতে যে বিজেপি খুব একটা সন্তুষ্ট নয়, তা স্পষ্ট হয়ে গেল শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্যের মধ্যে দিয়েই। আজ আবার এই মামলার শুনানি রয়েছে। তাই আইনজীবী মারফত তারা তাদের পছন্দের জায়গা আদালতকে জানিয়ে দেবেন বলে জানালেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। এক্ষেত্রে পছন্দ মত জায়গা না পেলে যে তারা এই কর্মসূচি করবেন না, সেই কথাও জানিয়ে দিয়ে নিজের অবস্থানে অনড় রইলেন শুভেন্দু অধিকারী।

এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর সেখানেই তিনি বলেন, “আমরা মন্দিরতলা বাসস্ট্যান্ডে বসবো না। হাইকোর্ট বলেছে, একটি বিকল্প জায়গা দিয়েছে। আমরা জায়গা দেখছি। জায়গা দেখে আমার আইনজীবী জানিয়ে দেবেন। জায়গা না দিলে বসবো না। আর দিলে বসবো। ওরা অমিত শাহের অফিসে গিয়েছিল কি করতে, আট জন সাংসদ না বলে, চোরের মত? কোনো নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি অফিস খোলার আগে সরকারি অফিসে এই ধরনের হল্লা করতে যায়? আমিও ৫০ জন বিধায়ক নিয়ে বসবো। যে ভাষায় কথা বললে সন্তুষ্ট হবে, সেই ভাষায় উত্তর দেবো আমরা। এক ইঞ্চি জায়গা ছাড়বো না।”