প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যের পুলিশ তৃণমূলের দলদাস হয়ে কাজ করে। বারবার করে সেই অভিযোগ করতে দেখা গিয়েছে বিরোধীদের। এই রাজ্যের পুলিশ নির্লজ্জের মত অনেক ক্ষেত্রে তৃণমূল নেতাদের বাড়ির বাজার পর্যন্ত করে দেয় বলেও মাঝেমধ্যেই অনেক বিরোধী নেতা কটাক্ষ ছুড়ে দেন। তবে এতদিন পুলিশকে দলদাস সহ বিভিন্ন শব্দ দিয়ে আক্রমণ করলেও, আজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নেতাজী ইন্ডোরের সভায় মাইক বিভ্রাট নিয়ে যে মন্তব্য করেছেন, তারপর সেই পুলিশ সম্পর্কে এমন এক মন্তব্য করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা, যা শুনে রীতিমত হাসির রোল পড়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে। শুধু তাই নয়, শুভেন্দুবাবুর এই মন্তব্যে রীতিমত অস্বস্তিতে পড়ে গিয়েছেন এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেও মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

আজ নেতাজী ইন্ডোরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বক্তব্য রাখার সময় মাইক বিভ্রাট হয়। আর সেই সময়ই তিনি পুলিশ থেকে শুরু করে দলের যারা দায়িত্বে রয়েছেন, তাদের সকলের ভূমিকা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “কেন পুলিশ আগে সাউন্ড চেক করে নেবে না?” আর একজন পুলিশ তার কি এই কাজ, মুখ্যমন্ত্রী কি করে প্রকাশ্য মঞ্চ থেকে পুলিশকে এইভাবে ধমক দিতে পারেন? তাহলে কি মাইক টেস্ট করার ক্ষেত্রেও পুলিশকে কাজে লাগায় এই রাজ্যের শাসক দল? ইতিমধ্যেই তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। আর সেই বিষয়কে হাতিয়ার করেই পশ্চিমবঙ্গে আর এক ধরনের পুলিশ চালু হলো বলে মন্তব্য করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

এদিন রাজ্য বিধানসভার বাইরে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর সেখানেই মাইক বিভ্রাট নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর যে ক্ষোভ প্রকাশ এবং পুলিশের উদ্দেশ্যে যে মন্তব্য, সেই বিষয়ে শুভেন্দুবাবু বলেন, “আমরা এর আগে অনেক ধরনের পুলিশ দেখেছি। আমরা দেখেছি, ফুলকে আটকানোর জন্য পুলিশ। আমরা দেখেছি, দড়ি ধরা পুলিশ। আমরা দেখেছি, অনেক ধরনের পুলিশ। এই প্রথম দেখলাম, মমতা ব্যানার্জি পুলিশকে বলছেন, রাজনৈতিক কর্মসূচির মাইকটা কেন পুলিশ দেখে নিল না? তাই আজ থেকে পশ্চিমবঙ্গে আরও একটি পুলিশ চালু হলো, মাইক টেস্টিং পুলিশ। মাইক টেস্টিং পুলিশের আজ উদঘাটন করলেন মাননীয়া পুলিশ মন্ত্রী।”