প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যে দীর্ঘদিন ধরেই নিয়োগ দুর্নীতি থেকে শুরু করে কয়লা পাচার মামলা, একাধিক বিষয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তদন্ত করছে। তবে অনেকে জেলে গেলেও আরও অনেকের জেলে যাওয়া প্রয়োজন বলেই দাবি করছে বিরোধীরা। সম্প্রতি কয়লা পাচার মামলায় আইপ্যাকের অফিস এবং প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডির পৌঁছে যাওয়াকে কেন্দ্র করে হুলুস্থুল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। আজ আবার রাজ্যের একাধিক জায়গায় সেই কয়লা পাচার মামলায় তদন্ত করতে পৌঁছে গিয়েছেন ইডি আধিকারিকরা। যেখানে বুদবুদের ওসির বাড়িতেও হানা দিয়েছে তারা। আর রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় কয়লা পাচার কাণ্ডে ইডির এই তল্লাশি নিয়ে মুখ খুললেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
প্রসঙ্গত, এই রাজ্যের বুকে তৃণমূল সরকারের আমলে ব্যাপক দুর্নীতি হয়েছে ছত্রে ছত্রে। যেই জায়গাতেই হাত দেওয়া যাচ্ছে, সেখান থেকেই দুর্নীতির গন্ধ বেরোচ্ছে বলে মাঝেমধ্যেই সোচ্চার হতে দেখা যায় বিরোধীদের। ইতিমধ্যেই অনেকে বহু দুর্নীতির ঘটনায় জেলে গিয়েছেন। তৃণমূল কংগ্রেসের অনেক নেতা থেকে শুরু করে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা জেল থেকে ছাড়াও পেয়ে গিয়েছেন। তবে প্রকৃত যারা এই ঘটনার সঙ্গে জড়িত, তারা কবে জেলে যাবে, তা দেখতে চাইছেন পশ্চিমবঙ্গের মানুষ। তার মধ্যেই আজ রাজ্যের একাধিক জায়গায় কয়লা পাচার মামলায় তদন্ত করতে পৌঁছে গিয়েছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। যার মধ্যে রয়েছেন, বুদবুদ থানার ওসিও। আর সেই বিষয়েই এই পুলিশ কর্তাকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা উচিত বলে দাবি করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর সেখানেই রাজ্যজুড়ে বিভিন্ন জায়গায় কয়লা পাচারকাণ্ডে ইডির তল্লাশি নিয়ে তাকে প্রশ্ন করা হয়। আর সেই ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “এটা নতুন কিছু নয়। লালা, বিনয় মিশ্রের নেতৃত্বে এটা বড় স্ক্যাম, সেটা সবাই জানে। অনেকে জেল খেটেছেন, জেলে আছেন, জেলে যাবেন। অনেকে চার্জশিটেড হয়েছেন। এই কয়লা কেলেঙ্কারিতে শুধুমাত্র রাজনৈতিক লোকেরা নয়, পুলিশের অনেকেও যুক্ত। মহামান্য রাজ্যপাল এবং কোর্ট থেকেও এদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। আমরা চাই, এদের হেফাজতে নেওয়া হোক। এই আজকে যিনি বুদবুদ থানার ওসি, যিনি আগে বারাবনি থানার ওসি ছিলেন, সেই কারণেই তিনি যুক্ত। তাকেও হেফাজতে নিয়ে ২৫ রেখে ৭৫ তিনি কোথায় কোথায় পাঠাতেন, এটাও তদন্তকারী সংস্থার জানা উচিত। এছাড়াও জনগণের সামনেও আসা উচিত।”