প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যে গণতন্ত্র যেমন নেই, যেমন বিরোধীদের বিভিন্ন কর্মসূচিতে বাধা দেওয়া হয়, ঠিক তেমনই এই রাজ্য প্রশাসনের এতটাই সাহস হয়ে গিয়েছে যে, এরা রাষ্ট্রপতিকেও অসম্মান করতে দুবার ভাবে না। সম্প্রতি উত্তরবঙ্গে রাষ্ট্রপতি এলেও তার অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে যেভাবে অসহযোগিতা করার অভিযোগ উঠেছে, তা নিয়ে তোলপাড় পড়ে গিয়েছিলো গোটা দেশজুড়ে। আর সেই সময়ই রাজ্যপাল পদে পদত্যাগ করেছিলেন সিভি আনন্দ বোস। ফলে নতুন রাজ্যপাল হিসেবে গতকাল শপথ গ্রহণ করেছেন প্রাক্তন আইপিএস অফিসার আর এন রবি। আজ লোকভবনে গিয়ে তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর সেখানেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শুভেন্দুবাবু যে দাবি করলেন, তাতে প্রশ্ন উঠছে যে, তাহলে কি রাষ্ট্রপতির অপমানের পরিপ্রেক্ষিতে এবার রাজ্যের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছেন আর এন রবি?
ইতিমধ্যেই রাষ্ট্রপতির অপমানের পরিপ্রেক্ষিতে তোলপাড় হয়ে উঠেছিল গোটা দেশ। যে রাজ্যের প্রশাসন বিরোধীদের মানে না, সেই রাজ্যের প্রশাসন একেবারে দেশের সাংবিধানিক শীর্ষ পদকেও কি করে অমান্য করলো, তা নিয়ে সোচ্চার হয়েছিলেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীও। কিন্তু তারপরেও এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বড় বড় গলায় অনেক কথা বলেছেন। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে রাজ্যের রাজ্যপাল হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছেন আর এন রবি। আর আজ তার সঙ্গে দেখা করেই রাষ্ট্রপতির অপমানের বিষয়টি তুলে ধরেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর সেখানেই তাকে রাজ্যপাল কি বলেছেন, তা বাইরে বেরিয়ে সকলের সামনে তুলে ধরেন নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক।
এদিন রাজ্যপালের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের পরেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। যেখানে রাষ্ট্রপতির সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ সফর এবং এখানে তার অপমান নিয়ে তিনি রাজ্যপালের কাছে বিশদে বলেছেন বলেও জানিয়ে দেন শুভেন্দুবাবু। বিরোধী দলনেতা বলেন, “রাষ্ট্রপতির সঙ্গে যা হয়েছে সেটা ক্লোজ চ্যাপ্টার হতে পারে না। এটা নিয়ে যা যা করার মহামান্য রাজ্যপাল করবেন। তিনি বলেছেন, এটা নিয়ে যা যা করার দরকার, করবো। পদক্ষেপ করা দরকার।”