প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস এসআইআরের চাপে এতটাই ভীত হয়ে রয়েছে যে, তারা প্রথম দিন থেকে এই এসআইআরকে আটকানোর সব রকম চেষ্টা করেছে। ইতিমধ্যেই চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হয়েছে। যেখানে প্রায় ৬৪ লক্ষ মানুষের নাম বাদ গিয়েছে। বাকি ৬০ লক্ষ মানুষের নাম এখন বিচারাধীন পর্যায়ে রয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই এত অবৈধ ভোটারের নাম বাদ যাওয়ার কারণে রীতিমত আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর সেই কারণেই এখন ধর্নার রাস্তা বেছে নিয়েছেন তিনি। যখনই তিনি বিপদে পড়েন, তখনই তিনি রাস্তায় বসে পড়েন এবং নাটক করতে শুরু করেন। এবারেও তিনি সেই চেষ্টা শুরু করে দিয়েছেন বলেই কটাক্ষ করছে বিজেপি। আর মুখ্যমন্ত্রীর সেই ধর্না কর্মসূচি নিয়েই এবার পাল্টা খোঁচা দিলেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ।

২৬ এর নির্বাচনের আগে তৃণমূলের সবথেকে বড় ভয়ের কারণ এসআইআর। এতদিন তৃণমূল যে সমস্ত অবৈধ ভোটারদের ভোটার তালিকায় রেখে ভোট বৈতরণী পার হয়েছে, এবার আর তাদের সেই কৌশল প্রয়োগ করা সম্ভব হবে না। আর সেই কারণেই ভয় পেয়ে মুখ্যমন্ত্রী এখন শেষ চেষ্টা করতে শুরু করেছেন। আন্দোলন করে, ধর্না করে পরিস্থিতিকে যাতে নিজের দিকে আনা যায়, তার জন্য তিনি একটি কৌশল নিয়েছেন। আগামীকাল মেট্রো চ্যানেলে তিনি ধর্নায় বসবেন বলে খবর। আর সেই বিষয়টি নিয়েই এবার মুখ খুললেন রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি।

এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। আর সেখানে মুখ্যমন্ত্রীর ধর্না কর্মসূচি নিয়ে তাকে প্রশ্ন করা হয়। আর সেই ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী সারা জীবন ধর্নাই দিয়ে গিয়েছেন। ১৫ বছর ধরে তিনি রাজ্যবাসীকে কি দিয়েছেন? অন্তত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকার রাজ্যের মানুষের জন্য যে সমস্ত প্রকল্প এনেছেন, তার সুবিধা পর্যন্ত তিনি পৌঁছতে দেননি। এই মুখ্যমন্ত্রী ধর্না মুখ্যমন্ত্রী, স্পিডব্রেকার মুখ্যমন্ত্রী, কাটমানি মুখ্যমন্ত্রী। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ভেঙে পড়েছে। সেটাও ওনার আয়ত্তের মধ্যে নেই। ওনার যাওয়ার সময় হয়ে গিয়েছে।”