প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
আজ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের পক্ষ থেকে একটি বড় বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। যেখানে দেশের সকলকে গর্বিত করে এখন থেকে সরকারি অনুষ্ঠানে বাধ্যতামূলকভাবে বন্দেমাতরম সংগীত গাইতে হবে বলে জানিয়ে দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। স্বাভাবিকভাবেই দেশের প্রত্যেকটি মানুষ এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানাচ্ছে। কিন্তু যে তৃণমূল কংগ্রেস নিজেদের বাংলা ও বাঙালি বলে গর্বিত বোধ করে, যারা কথায় কথায় বলে, বিজেপি নাকি বাংলার সংস্কৃতি বোঝে না, সেই বিজেপি কেন্দ্রীয় সরকার এত বড় সিদ্ধান্ত নিয়ে নিলো। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল সরকার কি এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করবে না বাংলার মাটিতে? আগাম সেই আশঙ্কা প্রকাশ করে বড় মন্তব্য করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

আজ সকালেই একটি খুশি হওয়ার মত খবর আসে দেশবাসীর কাছে। যেখানে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের পক্ষ থেকে বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানিয়ে দেওয়া হয়, এবার থেকে সরকারি অনুষ্ঠানে বন্দেমাতরমের প্রথম ছয়টি স্তবক বাধ্যতামূলকভাবে গাইতে হবেঋ স্বাভাবিকভাবেই তৃণমূল সরকারেরও এই সিদ্ধান্ত এই রাজ্যের মাটিতে কার্যকর করার কথা। কিন্তু যেভাবে এই তৃণমূল সরকার পরিচালিত হয়, তাতে তারা এক্ষেত্রেও হয়ত বাছ বিচার করবে এবং যারা নিজেদের বাংলা ও বাঙালি বলে গর্বিত বোধ করে, তারা হয়ত কেন্দ্রীয় সরকারের এই সিদ্ধান্ত মানবে না। আসলে কেন্দ্রের বিরোধিতা করাই তাদের প্রধান কাজ এবং একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে খুশি রাখতে গিয়ে তারা এই বন্দেমাতরম নিয়ে এত বড় সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করবে বলেই দাবি করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর সেখানেই তিনি বলেন, “সঞ্জীবনী মন্ত্র হচ্ছে বন্দেমাতরম। বন্দেমাতরমের মধ্যে দিয়ে মাকে প্রণাম করা হয়, ভারতবর্ষকে প্রণাম করা হয়। এটাকে স্বাগত জানাচ্ছি। কার্যকর হওয়ার দাবি রাখছি, অনুরোধও করছি। সাথে সাথে এটাও বলে রাখছি, পশ্চিমবঙ্গে এই সরকার কার্যকর করবে না। কারণ কার্যকর করতে গেলে ওনাদের যে ৫ হাজার ৭১৩ কোটি টাকা যেখানে বরাদ্দ করেছেন, তারা বন্দেমাতরম গায় না। তারা বিরোধিতা করবে এবং উনি সমস্যাতে পড়বেন।”