প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এসআইআর একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এর আগেও এই প্রক্রিয়া করেছিল নির্বাচন কমিশন। কিন্তু এবার ২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে পশ্চিমবঙ্গ সহ ১২ টি রাজ্যে এসআইআর হলেও কোথাও থেকে কোনো খবর আসছে না। একমাত্র যত খবর আসছে, তা পশ্চিমবঙ্গ থেকে। কারন বিরোধীরা দাবি করছে যে, এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং তার দল তৃণমূল কংগ্রেস এতদিন ভোটার তালিকায় নিবিড় সংশোধনী প্রক্রিয়া না হওয়ার কারণে অবৈধ ভোটার, মৃত ভোটারদের দিয়ে নিজেদের ভোটব্যাঙ্ক সমৃদ্ধ করার চেষ্টা করেছিল। কিন্তু এসআইআরের ফলে প্রায় কোটির কাছাকাছি নাম বাদ যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আর সেই কারণেই এসআইআরের প্রবল বিরোধিতা করছেন এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেই দাবি করছে বিরোধীরা। আর তার মাঝেই এবার সেই এসআইআরের পক্ষেই সওয়াল করতে দেখা গেল তৃণমূলের বিধায়ক আব্দুল গনিকে। যখন দলের নেত্রী থেকে শুরু করে গোটা দল এসআইআরের বিরোধিতায় সরব হচ্ছে, তখন তৃণমূল বিধায়কের সেই এসআইআরের পক্ষে মন্তব্য ঘিরে রীতিমত জল্পনা বাড়ছে রাজ্য রাজনীতিতে।
ইতিমধ্যেই এসআইআরকে কেন্দ্র করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একাধিক জায়গায় সভা করেছেন। প্রকাশ্য মঞ্চ থেকে তিনি এসআইআরের বিরোধিতা করছেন বিজেপিকে আক্রমণ করছেন। এমনকি নির্বাচন কমিশনকেও বিজেপির কথামতো চলছে বলে কটাক্ষ করছেন। স্বাভাবিকভাবেই কোনো রাজ্যে এত বিরোধিতা না হলেও কেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই এসআইআরের এত বিরোধিতা করছেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে বিরোধীদের তরফে। তবে এবার আর বিরোধী দলের নেতারা নয়, স্বয়ং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের বিধায়ক যেভাবে এসআইআরকে স্বাগত জানালেন, তাতে তৃণমূল নেত্রী যে ব্যাপক চাপে পড়ে গেলেন, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে, দল যখন এক পথে, তখন এসআইআরকে স্বাগত জানিয়ে তৃণমূল বিধায়কের এই মন্তব্য কি অন্য কোনো বার্তা দিচ্ছে?
এদিন এসআইআরকে স্বাগত জানান সুজাপুরের তৃণমূল বিধায়ক তথা কলকাতা হাইকোর্টের প্রাক্তন বিচারপতি আব্দুল গনি। তিনি বলেন, “অনুপ্রবেশকারীরা কেন ভোটার হবে? কেন মৃত এবং স্থানান্তরিকরা তালিকায় থাকবে? যারা শিফটেড, তারা কেন ভোটার তালিকায় থাকবে? অনুপ্রবেশকারীরা যদি অবৈধভাবে এসে থাকে, তবে তারা যোগ্য ভোটার হবেন না।”