প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যের বুকে বর্তমানে দেখতে পাওয়া যাচ্ছে যে, অনেক জায়গাতেই মানুষকে এসআইআরের নামে হয়রানি করা হচ্ছে। এমনকি সামান্য কিছু ত্রুটি হলেই তাদের ডেকে পাঠানো হচ্ছে শুনানিতে। যার ফলে অনেকেই এসআইআর প্রক্রিয়ায় নিয়ে অসন্তুষ্ট হয়ে পড়েছেন। অনেক জায়গাতেই বিক্ষোভ হচ্ছে। তবে যারা এই সমস্ত কাজ করছে, এইভাবে শুনানিতে মানুষকে ডেকে পাঠাচ্ছে এবং হয়রানি করছে, তারা যে তৃণমূলের কথাতেই মানুষকে এসআইআরের বিরুদ্ধে ক্ষেপিয়ে তোলার একটা সূক্ষ্ম পরিকল্পনা বেছে নিয়েছে, তা খুব ভালো মতই বুঝতে পারছে বিজেপি। আর সেই কারণেই গোটা ঘটনায় এবার তৃণমূল পরিচালিত প্রশাসনের দিকেই অভিযোগের আঙুল তুললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার।
ইতিমধ্যেই এসআইআর প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে গোটা রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত উত্তপ্ত হতে শুরু করেছে। বিভিন্ন জায়গায় সাধারণ মানুষ ব্যাপক হয়রান হচ্ছেন সামান্য কিছু ত্রুটি হলেই যেভাবে তাদের ডেকে পাঠানো হচ্ছে, তাতে অনেকেই গোটা প্রক্রিয়া নিয়ে অসন্তুষ্ট। তবে এর পেছনেও যে তৃণমূল এবং এই রাজ্যের প্রশাসনের বেশ কিছু আধিকারিকের সূক্ষ্ম পরিকল্পনা রয়েছে, তা বুঝতে বাকি নেই বিজেপি নেতাদের। তারাই ইচ্ছাকৃতভাবে এসআইআরের বিরুদ্ধে মানুষকে হয়রান করে গোটা প্রক্রিয়ার বিভ্রান্তি তৈরি করার চেষ্টা করছেন, তা তুলে ধরেই রাজ্য প্রশাসনকেই দায়ী করলেন বালুরঘাটের বিজেপি সাংসদ।
এদিন একটি সভায় বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। আর সেখানেই এসআইআর প্রক্রিয়ায় যেভাবে কিছু কিছু মানুষকে হয়রান করা হচ্ছে, তার পেছনেও তৃণমূলের চক্রান্ত এবং প্রশাসনের কিছু মানুষ তৃণমূলের হয়ে কাজ করে মানুষকে বিভ্রান্ত করছেন বলে দাবি করেন রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি। সুকান্তবাবু বলেন, “ফারাক্কার বিধায়ক মনিরুল ইসলাম বিডিও অফিসে গিয়ে ভাঙচুর করছে। বিডিও অফিসটা কার? সব জায়গায় লোককে ক্ষেপানোর জন্য এসআইআরের নাম করে নোটিশ পাঠিয়ে দেওয়া হচ্ছে। কে নোটিশ পাঠাচ্ছে? বিডিও কার অফিসার? বিডিও কি আমাদের নেতাদের কথা শোনে, না তৃণমূল কংগ্রেসের নেতাদের কথা শোনে? তৃণমূল কংগ্রেসের কথা শোনে। তাহলে মানুষকে নোটিশ পাঠানোর কাজ, মানুষকে হয়রান করার কাজ নির্বাচন কমিশন নয়। নির্বাচন কমিশনের হয়ে এই কাজ করছেন তৃণমূলের বসানো বিডিও, এসডিওরা।”