প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- মাঝেমধ্যেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তদন্ত নিয়ে অনেকেই প্রশ্ন তোলেন। অনেকেই বলতে শুরু করেন যে, পশ্চিমবঙ্গে এত দুর্নীতি রয়েছে, অথচ কেন সঠিকভাবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা, মূল যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তাদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিতে পারছে না? তবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা যে নিরপেক্ষভাবেই সঠিক সময়েই সঠিক পদক্ষেপ নেয়, তা আবারও স্পষ্ট হয়ে গেল। যেখানে বেটিং অ্যাপের ঘটনায় এবার কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করা হলো বেশ কিছু তারকাদের বিরুদ্ধে। যার মধ্যে রয়েছেন প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ মিমি চক্রবর্তী থেকে শুরু করে বিশিষ্ট অভিনেতা অঙ্কুশ হাজরা সহ আরও অনেকেই।
এই মুহূর্তের সব থেকে বড় খবর যে, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থায় ইডির পক্ষ থেকে একটি বড় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। যে খবর সামনে আসার পর রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে বিভিন্ন মহলে। যেখানে একাধিক তারকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। যার তালিকায় রয়েছেন প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ তথা বিশিষ্ট অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। কিন্তু হঠাৎ করে কেন তার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হলো?
সূত্রের খবর, বেটিং অ্যাপ মামলায় এর আগে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার মুখোমুখি হয়েছিলেন মিমি চক্রবর্তী এবং অঙ্কুশ হাজরা। এছাড়াও আরও অনেককেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তদন্তের জন্য ডেকে পাঠিয়েছিল। আর এবার ইডির পক্ষ থেকে এই ঘটনায় তদন্তের পর একটি তালিকা প্রকাশ করা হয়। যেখানে একাধিক তারকা এবং সেলেব্রিটিদের নাম রয়েছে। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ রয়েছে যে, তারা বেআইনি অ্যাপের বিজ্ঞাপনে যুক্ত হয়ে পড়েছিলেন। আর সেই বিজ্ঞাপন করতে গিয়েই তারা যে টাকা উপার্জন করেছেন, তার ভিত্তিতেই তাদের সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই যে খবর পাওয়া যাচ্ছে, তাতে প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ তথা বিশিষ্ট অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তীর ৫৯ লক্ষ টাকা বাজেয়াপ্ত করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। শুধু তাই নয়, বাংলার আরও এক অভিনেতা অঙ্কুশ হাজরার ৪৭ লক্ষ টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি যুবরাজ সিং, রবিন উথাপা, এই সমস্ত ক্রিকেটারদেরও নাম রয়েছে এই তালিকায়। সব মিলিয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার এই কড়া পদক্ষেপ ঘিরে রীতিমত শোরগোল পড়ে গিয়েছে গোটা দেশজুড়ে।