প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
আইপ্যাক কান্ডের পরিপ্রেক্ষিতে রীতিমত চাপে রয়েছে এই রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যেখানে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তল্লাশি চালাচ্ছে, সেখানে পৌঁছে গিয়ে তিনি যেভাবে ফাইল নিয়ে বেরিয়ে এসেছিলেন, তা বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন তৈরি করেছে। ইতিমধ্যেই গোটা বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টের দরজায় পৌঁছে গিয়েছে। মামলায় সব পক্ষকে নোটিশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত। আগামী দিনে শুনানিতে কি উঠে আসে, তা স্পষ্ট হয়ে যাবে। তবে তার মাঝেই এবার কলকাতায় আসতে চলেছেন ইডির ডিরেক্টর। স্বাভাবিকভাবেই গোটা বিষয়কে কেন্দ্র করে রীতিমত গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে বিভিন্ন মহলে।
প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই আইপ্যাকের অফিস এবং প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছিলো কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। কিন্তু হঠাৎ করেই সেখানে পৌঁছে যান রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যেখানে তার সঙ্গে বেশ কিছু প্রশাসনিক আধিকারিকরাও ছিলেন। আর তারপরেই সেই তল্লাশি চলাকালীন সেখান থেকে বেশ কিছু নথিপত্র নিয়ে বাইরে বেরিয়ে আসেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। আর তারপর থেকেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে যে, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা যেখানে তল্লাশি চালাচ্ছে, সেখানে মুখ্যমন্ত্রী কেন এইভাবে নথিপত্র নিয়ে সেখান থেকে বেরিয়ে এলেন? কেন তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে না? ইতিমধ্যেই মুখ্যমন্ত্রী থেকে শুরু করে বেশ কিছু প্রশাসনিক আধিকারিকের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে মামলায় অভিযোগ করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। আর তার মাঝেই এবার রাজ্যে আসতে চলেছেন ইডির ডিরেক্টর।
সূত্রের খবর, আগামী সপ্তাহেই ইডির ডিরেক্টর রাহুল নবীন কলকাতায় আসতে চলেছেন। যেখানে কিছুদিন আগেই আইপ্যাকের অফিস এবং প্রতীক জৈনের বাড়িতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তল্লাশি চালানোর সময় যে পরিস্থিতি হয়েছিল, সেই বিষয়েই তিনি আরও বিস্তারিত খোঁজ খবর নেবেন। এক্ষেত্রে তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকদের সঙ্গেও কথা বলবেন তিনি। একাংশ বলছেন, এই প্রথম কলকাতায় আসছেন ইডির ডিরেক্টর। আসলে তিনি গোটা বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করতে শুরু করেছেন। যেভাবে আইপ্যাকের অফিসে এবং প্রতীক জৈনের বাড়িতে ইডি আধিকারিকদের তল্লাশি চলাকালীন সেখানে মুখ্যমন্ত্রী প্রবেশ করেছিলেন এবং নথি নিয়ে বেরিয়ে এসেছিলেন, তা গোটা রাজ্য শুধু নয়, দেশে আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। আর এই পরিস্থিতিতে সুপ্রিম কোর্টে যখন মামলা বিচারাধীন, তখন গোটা বিষয়টি নিয়ে খোঁজ খবর নিতে কলকাতায় ইডি ডিরেক্টরের আগমনের খবর ঘিরে রীতিমত তোলপাড় রাজ্য রাজনীতি।