প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
বিজেপি হিন্দু এলাকায় ভালো ফল করবে। কিন্তু যে সমস্ত এলাকায় সংখ্যালঘুদের ভোটব্যাঙ্ক রয়েছে, সেখানে তারা খুব একটা বেশি প্রভাব ফেলতে পারবে না। এটা অনেক বিজেপি নেতারাও জানেন। কিন্তু ২০২৬ এর নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই কি বদলাতে শুরু করেছে বাংলার মানুষের মনের সমীকরণ? যারা ক্ষমতায় থাকে, তারা সবসময় কনফিডেন্ট থাকে যে, তারা ক্ষমতায় আবার ফিরে আসবে। কিন্তু যারা বিরোধী দলে থাকে, তারা খুব ভালো মতই মানুষের মন বুঝতে পারেন। ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে মানুষের সেই মন খুব ভালো মতই বুঝতে পারছেন রাজ্যের বর্তমান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আজ নন্দীগ্রামে একটি কর্মসূচিতে যুক্ত হওয়ার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে হিন্দু ভোট তো বিজেপি পাবেই, তার পাশাপাশি মুসলিমরাও এবার বিজেপিকে সমর্থন করবেন বলে দাবি করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।
২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে আবার পরিবর্তনের ঝড় উঠেছে। তবে ২০২১ এর থেকে এবার যে আরও বেশি জোর লাগিয়ে ক্ষমতায় আসার ব্যাপারে পরিশ্রম করছেন বিজেপি নেতারা, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। কিন্তু অনেকের মধ্যেই সংশয় রয়েছে যে, দিনের শেষে আবার গণনা কেন্দ্রে খেলা হয়ে যাবে না তো? সেখানে আবার জোর করে ভোটের ফল বদলে দেবে না তো এই রাজ্যের শাসক দলের দুষ্কৃতীরা? তবে সেই সমস্ত কিছুকে প্রতিহত মনে করার মত ক্ষমতা যে বিজেপির রয়েছে, তা যত দিন যাচ্ছে, ততই বিজেপি নেতাদের বডি ল্যাঙ্গুয়েজ এবং বক্তব্যের মধ্যে দিয়ে স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে। আর এই পরিস্থিতিতে আজ হিন্দু ভোটের পাশাপাশি যে মুসলিম ভোট পাওয়া নিয়ে বিজেপির মধ্যে সংশয় রয়েছে, সেই যাবতীয় সংশয় দূর করে দিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি কনফিডেন্ট যে, এবার নন্দীগ্রামের দেখানো পথেই হাঁটবে গোটা রাজ্য। যেভাবে ২০২১ সালে নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পরাজিত হয়েছিলেন, সেই একইভাবে গোটা রাজ্য থেকেই তৃণমূলকে উপড়ে ফেলবে হিন্দু থেকে শুরু করে মুসলিম, সকল সম্প্রদায়ের মানুষ বলেই দাবি রাজ্যের বিরোধী দলনেতার।
এদিন নন্দীগ্রামে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর সেখানেই তিনি বলেন, “এখানে একটা হিন্দু ভোটও কোথাও যাবে না। এমনকি প্রচুর মুসলিম লোকের ভোটও পাবো। এবার মানুষ সাফ করবে। শুধু নন্দীগ্রাম নয়, গোটা রাজ্য থেকেই এই হিন্দু বিরোধী, নারী বিরোধী এবং ভারত বিরোধী সরকারকে তুলে ফেলবে।”