প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-ছাব্বিশের মহালড়াইয়ে বাংলায় ঐতিহাসিক পরিবর্তনের পর এবার সোজা দিল্লি দরবারে ‘মহাগুরুত্বপূর্ণ’ বৈঠক। বাংলার নবনিযুক্ত মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর গতকালই প্রথম রাজধানী সফরে গিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। আর প্রথম সফরেই দিল্লির ক্ষমতার অলিন্দে তাঁর একের পর এক মেগা বৈঠক ঘিরে তোলপাড় দেশের রাজনৈতিক মহল। আজ রাইসিনা হিলসে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এবং উপরাষ্ট্রপতি সি. পি. রাধাকৃষ্ণনের সঙ্গে তাঁর এই মেগা সাক্ষাৎ বাংলার রাজনীতিতে এক নতুন যুগান্তকারী সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল জনসমর্থন নিয়ে বাংলায় সরকার গঠনের পর রাজ্যের সাংবিধানিক প্রধানদের সঙ্গে নতুন মুখ্যমন্ত্রীর এই সাক্ষাৎ আপাতদৃষ্টিতে ‘সৌজন্য সাক্ষাৎ’ হলেও, এর রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক গুরুত্ব অপরিসীম। দীর্ঘ কয়েক বছর পর দিল্লি ও কলকাতার মধ্যেকার সম্পর্কে এক নতুন ও ইতিবাচক রূপ পেতে চলেছে। মুখ্যমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির এই বৈঠক রাজ্যের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন ও প্রশাসনিক কাঠামোর জন্য অত্যন্ত সদর্থক বলেই মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।
আজকের দিনভর ঠাসা কর্মসূচির মধ্যে রাষ্ট্রপতি ও উপরাষ্ট্রপতির পাশাপাশি কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গেও মুখ্যমন্ত্রীর বিশেষ বৈঠক রয়েছে। গতকাল রাতেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ বৈঠক সেরেছেন তিনি। বিজেপি ঘনিষ্ঠ মহলের দাবি, বাংলায় এবার ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকারের হাত ধরে যে অভূতপূর্ব আর্থিক জোয়ার ও কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সঠিক রূপায়ণ আসতে চলেছে, এই বৈঠকগুলি তারই সলতে পাকানোর কাজ করছে।