প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
২৬ এর নির্বাচনে বিজেপি যদি ক্ষমতায় আসতে না পারে, তাহলে তারাও জানে যে, তাদের যে সমস্ত নেতারা চোখে চোখ রেখে প্রতিবাদ করছেন, তাদের কি করুণ অবস্থা হবে। এমনিতেই এই রাজ্যে গণতন্ত্র বলে যে আর কিছু নেই, তা নতুন করে বলতে হবে না। যেভাবেই হোক, বিরোধী নেতাদের প্রাণে মেরে ফেলার চেষ্টা করছে রাজ্যের শাসক দলের আশ্রিত দুষ্কৃতীরা বলেই অভিযোগ। সম্প্রতি বেহালার সখের বাজারে বিজেপির মঞ্চ পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় গতকাল প্রতিবাদ হয়েছে। আর সেই প্রতিবাদ কর্মসূচি থেকেই বিগত বাম আমল এবং কংগ্রেস আমলের কথা তুলে ধরে তৃণমূল ক্ষমতা থেকে চলে গেলে এদের আরও খারাপ পরিণতি হবে বলে হুশিয়ারি দিলেন তৃণমূলেরই প্রাক্তন নেতা তথা বর্তমান বিজেপি নেতা তাপস রায়।

এই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী যেভাবে গোটা রাজ্যজুড়ে প্রতিবাদ কর্মসূচি করতেন এবং তৃণমূলের বিরুদ্ধে মানুষকে সংগঠিত করতেন, তাতে রাজ্যে শাসক দল অত্যন্ত আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে। বিজেপি নেতারা মাঝেমধ্যেই বলেন যে, বামেদের একটা সংগঠন ছিলো। কিন্তু তারপরেও তারা ক্ষমতা থেকে চলে যাওয়ার পর তাদের করুন পরিণতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে বামেদের কিছু জায়গায় নামমাত্র সংগঠন থাকলেও, তৃণমূলের ক্ষমতায় থাকতেই সংগঠন বলে কিছু নেই। এরা শুধুমাত্র পুলিশকে ব্যবহার করেই ক্ষমতায় টিকে আছে। তাই ক্ষমতা থেকে সরে গেলে এদের নাম, নিশান খুঁজে পাওয়া যাবে না, এটা খুব ভালো মতই জানেন সকলে। আর সেই কথাই উল্লেখ করে তৃণমূলকে আরও চাপে ফেলে দিলেন বিজেপি নেতা তাপস রায়।

গতকাল বেহালার সখের বাজারে বিজেপির প্রতিবাদ কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখেন তাপস রায়। আর সেখানেই তৃণমূলের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “তৃণমূলের দুর্বৃত্তদের বলছি, কায়েম হয়েছে মমতার নেতৃত্বে দুর্বৃত্তরাজ। কায়েম হয়েছে পুলিশিরাজ, কায়েম হয়েছে দুর্নীতিরাজ। ত্রহস্পর্শে মানুষ ছটফট করছে। আর পরিবর্তনের বাজনা বাজছে। শুনতে পাচ্ছে না তৃণমূলীরা। কংগ্রেস এবং সিপিএমের দুর্বৃত্তরাও এই কাজ করতো। ভেবেছিল, এই ভাবেই বুঝি চলবে। না, চলেনি। জাতীয় কংগ্রেস ভারতবর্ষে কোথায়, বাংলায় কোথায়? বামেরা কোথায়? এই তৃণমূলের অবস্থাও তার থেকে খারাপ হবে। এটা শুধু সময়ের অপেক্ষা।”