প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- তৃণমূলের সরকারের আমলে প্রশাসন পুরোপুরি দলদাসে পরিপূর্ণ হয়ে গিয়েছে। পুলিশের মধ্যে নিরপেক্ষতা বলতে কিছু নেই। এমনকি যারা জেলায় জেলায় প্রশাসনিক শীর্ষ পদে রয়েছেন, তারাও আজকে তৃণমূলের কথায় কাজ করছেন। যার ফলে বিজেপির পক্ষ থেকে মাঝেমধ্যেই সেই প্রশাসনিক কর্তাদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। যারা পড়াশোনা করে এত বড় চেয়ারে বসেছেন, তারা কেন তৃণমূলের কথায় নির্লজ্জতা করে দলদাসের মত নিজেদের পরিচয় দিচ্ছেন, তা নিয়েও সোচ্চার হন বিজেপি নেতারা। আর এবার যে সমস্ত প্রশাসনিক আধিকারিকরা তৃণমূলের কথায় চলছেন, তাদের কড়া বার্তা দিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন।
এই রাজ্যের বিজেপি নেতারা মাঝেমধ্যেই দাবি করেন, তৃণমূলের পাশ থেকে পুলিশ সরে গেলে তৃণমূলের পথ চলার মত ক্ষমতা থাকবে না। শুধুমাত্র পুলিশ নির্ভর একটি রাজনৈতিক দল হয়ে তৃণমূল এই পশ্চিমবঙ্গের মাটিতে বিরোধীদের ওপর অত্যাচার করছে বলে অভিযোগ বিরোধী নেতাদের। এমনকি তারা শাসক দলের উদ্দেশ্যে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে এটাও বলেন যে, পুলিশ যদি নিরপেক্ষ হয়ে যায়, তাহলে তৃণমূলের নির্বাচনে পরাজয় নিশ্চিত হয়ে যাবে। সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। আর তার আগে বারবার করে যে সমস্ত জায়গায় প্রশাসনের একটা অংশ দলদাস হয়ে কাজ করছেন, তাদের নিরপেক্ষ হয়ে কাজ করার বার্তা দিচ্ছেন বিজেপি নেতারা। আর আজ দুর্গাপুরের সভা থেকে সেই একই বার্তা দিতে দেখা গেল বিজেপির নব নির্বাচিত সর্বভারতীয় সভাপতিকে।
এদিন দুর্গাপুরের সভায় বক্তব্য রাখেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন। আর সেখানেই প্রশাসনের যে সমস্ত কর্তা ব্যক্তিরা তৃণমূলের কথায় কাজ করছেন, তাদের উদ্দেশ্যে বড় বার্তা দেন তিনি। বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি বলেন, “এসপি, ডিএমদের কাঠের পুতুলের মত নাচাচ্ছে এখানকার রাজ্য সরকার। আর এখানকার মানুষদের খেলাচ্ছেন। আর বলছেন, নির্বাচন কমিশন করছে। কমিশন তো অনুপ্রবেশ কারীদের তাড়াতে চাইছে। ডিএম, এসডিওদের বলছি, এটা চার দিনের সরকার। এদের কথায় নাচবেন না। কাঠের পুতুল হবেন না। আপনারা প্রশাসনের লোক। জনতার পাশে দাঁড়ান।”