প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন, তৃণমূলের বিসর্জন। এই স্লোগানকে সামনে রেখেই সরকার গঠনের আহ্বান জানিয়ে সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে বিজেপি। ভোটের ঘোষনা না হলেও আজ থেকেই তারা রাজ্যজুড়ে পরিবর্তন যাত্রা কর্মসূচি শুরু করেছে। যেখানে শিলিগুড়িতে এই পরিবর্তন যাত্রার সূচনা হবে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন এবং রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যের হাত ধরে। এছাড়াও কুলটি, কৃষ্ণনগর এবং গড়বেতা থেকে এই পরিবর্তন সংকল্প যাত্রার সূচনা হবে আজ। স্বাভাবিকভাবেই উজ্জীবিত বিজেপি কর্মীরা। তবে উত্তরবঙ্গ বরাবরই বিজেপির শক্ত ঘাঁটি ছিলো। এবার যখন পরিবর্তনের ঝড় উঠেছে, তখন তৃণমূল কংগ্রেস বিভিন্ন ব্যক্তিকে নিজেদের দলে যোগদান করিয়ে বোঝানোর চেষ্টা করছে যে, উত্তরবঙ্গে এবার বিজেপি ভালো ফল করতে পারবে না। কিন্তু উত্তরবঙ্গের শিলিগুড়িতে পৌঁছে গিয়েই সেখানকার আবহাওয়া দেখে বড় দাবি করে বসলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।

সম্প্রতি বিষ্ণুপ্রসাদ শর্মাকে তৃণমূল কংগ্রেস নিজেদের দলে যোগদান করিয়েছে। তারপর কিছুদিন আগেই স্বপ্না বর্মনকে নিজেদের দলে যোগদান করিয়ে তৃণমূল বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করছে যে, উত্তরবঙ্গের মানুষ তাদের পাশে আছে। কিন্তু উত্তরবঙ্গ বরাবর বিজেপির শক্ত ঘাঁটি। আর এবার যখন বিজেপি পরিবর্তনের লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন গোটা রাজ্যেই যখন মানুষের আস্থা তৃণমূলের প্রতি সরে গিয়েছে, তখন এই যোগদান করিয়ে যে তৃণমূল উত্তরবঙ্গের রাজনৈতিক আবহাওয়ার পরিবর্তন করতে পারবে না, তা তলায় তলায় তৃণমূলের অনেক নেতৃত্বরাও স্বীকার করে নিচ্ছেন। আর আজ সেই শিলিগুড়িতে পরিবর্তন যাত্রার সূচনায় অংশগ্রহণ করতে গিয়ে মানুষের সঙ্গে জনসংযোগ করে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি। তার স্পষ্ট দাবি, উত্তরবঙ্গে এবার খাতা খুলতে পারবে না তৃণমূল কংগ্রেস।

এদিন শিলিগুড়িতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। আর সেখানেই উত্তরবঙ্গের ফলাফল নিয়ে তাকে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, “উত্তরবঙ্গে যেরকম ফলাফল হয়, সেই রকমই হবে। তবে এই বছর উত্তরবঙ্গে তৃণমূল খাতা খুলতে পারবে না। দিনহাটা, শীতলকুচি, সিতাইয়ে যে সন্ত্রাস তৃণমূল কংগ্রেস চালিয়েছে, এখনও আমাদের কর্মীদের ঘর ছাড়া রেখেছে। আসামে বসবাস করছে। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি, পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য, সে আজকে দিল্লির একটি গেস্ট হাউসে চা, জল খাবার দেওয়ার কাজ করছে। এই নির্বাচনে মানুষ তৃণমূলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। তৃণমূল উত্তরবঙ্গে খাতা খুলতে পারবে না। উত্তরকন্যাতেই তৃণমূলের সমাধি হয়ে যাবে।”