প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
আজ সকাল থেকেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙ্গা এলাকা। যেখানে এক ভিন রাজ্যের পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যু ঘিরে রাস্তা অবরোধ থেকে শুরু করে ট্রেন লাইন অবরোধ করে রেখেছেন কিছু মানুষ। আর আশ্চর্যজনকভাবে যখন একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের মানুষকে সেখানে বেশি করে দেখা যাচ্ছে, যাদেরকে ভোটব্যাংক হিসেবে ব্যবহার করে এই রাজ্যের শাসক দল বলে অভিযোগ ওঠে বিরোধীদের পক্ষ থেকে, সেই শাসক দলের প্রধান তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্য ঘিরেও উঠতে শুরু করেছে প্রশ্ন। যেখানে পুলিশ মন্ত্রী হিসেবে তিনি গোটা ব্যবস্থাকে নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসার জন্য নিজের পুলিশকে নির্দেশ দেবেন, তার বদলে তিনি উত্তরবঙ্গে যাওয়ার আগে এই বেলডাঙ্গার উত্তপ্ত পরিস্থিতি নিয়ে এমন এক মন্তব্য করেছেন, যা নিয়ে বিভিন্ন মহলে চর্চা শুরু হয়েছে। আর সেই বিষয়টি উল্লেখ করেই বাংলাকে বাঁচানোর জন্য এবং এই সমস্ত বিশৃংখল পরিস্থিতিকে আনতে যে সাংবিধানিক সংস্থাগুলোর এগিয়ে আসা প্রয়োজন, সেই বার্তা দিয়ে জল্পনা বাড়িয়ে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
আজ সকাল থেকেই মুর্শিদাবাদের বেলডাঙার উত্তপ্ত পরিস্থিতি নিয়ে গোটা রাজ্য রাজনীতিতে শোরগোল পড়ে গিয়েছে। বিরোধীদের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে যে, রাজ্যের পুলিশ মন্ত্রীর এক্ষেত্রে ভূমিকা কি? ইতিমধ্যেই উত্তরবঙ্গে যাওয়ার আগে এই বিক্ষোভকে স্বতঃস্ফূর্ত বলে মন্তব্য করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যা নিয়েও বিরোধীরা প্রশ্ন তুলে বলছেন যে, মুখ্যমন্ত্রী ইচ্ছাকৃতভাবে এই বিপক্ষে প্ররোচনা দিচ্ছেন। যাতে একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের ভোটব্যাঙ্ক তাদের দিকে আসে এবং এখানকার মানুষকে বিজেপির বিরুদ্ধে ক্ষেপিয়ে তোলার চেষ্টা করছেন। আর এই পরিস্থিতিতে এবার মুখ্যমন্ত্রী সেই মন্তব্যকে হাতিয়ার করেই গর্জে উঠলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।
এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর সেখানেই তিনি বলেন, “কার্যত সমস্ত কিছু বন্ধ করে রেখে একটা ভয়ংকর অবস্থা চলেছে। সেক্ষেত্রে রাজ্যের ১৫ বছর ধরে যিনি পুলিশ মন্ত্রী, সেই পুলিশ মন্ত্রী উত্তরবঙ্গ যাওয়ার পথে বলে গিয়েছেন, শুক্রবার একটি বিশেষ দিন। সেই দিন ওরা একটু প্রতিবাদ, টতিবাদ করে থাকে। এই হচ্ছে রাজ্যের বর্তমান অবস্থা। এই অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে আমরা ভারতীয় জনতা পার্টি মনে করি, অবিলম্বে এর বিরুদ্ধে সমস্ত সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানগুলি, তাদের এগিয়ে এসে পশ্চিমবঙ্গের সাধারণ জনগণ, সরকারি সম্পত্তি, স্বাভাবিক জীবন যাপন করার ক্ষেত্রে যে পরিবেশ পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে তৃণমূল কংগ্রেসের গুন্ডারা পুলিশকে দর্শক বানিয়ে, এর বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হোক।”