প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
রাজ্য রাজনীতিতে চাণক্য বলা হতো তাকে। রাজনীতির বহু ওঠাপড়ায় প্রথম দিন থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। তবে রাজনৈতিক জীবনে একদম প্রথমে কংগ্রেস, তারপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৃণমূল কংগ্রেসের জন্মলগ্ন থেকে মুকুল রায়ের অবদান কেউই ভুলতে পারেননি। পরবর্তীতে ২০১৭ সালে বিজেপিতে যোগদান করে আবার তৃণমূলে ফিরে আসেন তিনি। তবে নিজের পুরোনো দল তৃণমূল কংগ্রেসে কামব্যাক করার পর সেভাবে রাজ্য রাজনীতিতে আর সক্রিয় হতে দেখা যায়নি মুকুল রায়কে। ধীরে ধীরে শারীরিক অসুস্থতা গ্রাস করে তাকে। দীর্ঘদিন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন তিনি। অবশেষে গতকাল রাত দেড়টা নাগাদ তিনি প্রয়াত হয়েছেন। আর তার মৃত্যুর খবর পেয়ে রীতিমত শোকস্তব্ধ রাজনৈতিক মহল। দলমত নির্বিশেষে সকলেই মুকুল রায়ের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছেন। আর প্রয়াত বঙ্গ রাজনীতির এক সময়কার চাণক্যের মৃত্যুর খবর পেয়ে অসুস্থতার সময় তাকে দেখে আসার স্মৃতির কথা তুলে ধরলেন প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী।

রাজ্য রাজনীতিতে বর্ণময় চরিত্র বলেই পরিচিত মুকুল রায়। গতকাল তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করার পর আজ সকাল থেকেই তার প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করছেন রাজনীতি বিদরা। অনেকেই পুরোনো স্মৃতির কথা তুলে ধরে মুকুল রায়ের সঙ্গে কাটানো সময়ের কথা উল্লেখ করছেন। আর তাঁর বিদায় বেলায় তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করলেন প্রদেশ কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি অধীর রঞ্জন চৌধুরী। যেখানে নিজের খারাপ লাগার কথা ব্যক্ত করলেন তিনি।

এদিন মুকুল রায়ের প্রয়ানে শোকজ্ঞাপন করেন অধীর চৌধুরী। তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে একজন বড় মাপের নেতা হিসেবে তিনি পরিচিত ছিলেন। কংগ্রেস দলেও কখনও বড় পদে ছিলেন। আমি অসুস্থ অবস্থায় তাঁকে একবার তাঁর কাঁচরাপাড়ার বাড়িতে দেখতে গিয়েছিলাম। সেখানে তাকে দেখে আমার মনে হয়েছিল যে, সুস্থ অবস্থায় কথা বলার যে ক্ষমতা, সেটা তিনি হারিয়ে ফেলেছিলেন। তবে খারাপ তো লাগছেই। খুবই খারাপ লাগছে। আজ না হোক কাল, সকলকেই যেতে হবে। তবে আমি তাঁর পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করছি এবং তাঁর আত্মার চিরশান্তি কামনা করছি।”