প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- পশ্চিমবঙ্গে এখন ভোট মানেই সন্ত্রাস এবং প্রাণহানির ঘটনা ঘটে। তৃণমূল সরকারের আমলে এই প্রবণতা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। তাই বাংলায় নির্বাচন করতে গেলে নির্বাচন কমিশনকে আলাদা ট্রিটমেন্ট প্রয়োগ করতে হবে বলেই দাবি করে বিরোধীরা। আর এই পরিস্থিতিতে সামনেই পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচন। তৃণমূল বুঝতে পারছে, তারা ক্ষমতা থেকে এবার বিদায় নেবে। আর সেই কারণেই আরও হিংসা, আরও সন্ত্রাস করে বিজেপিকে ভয় দেখানোর একটা কৌশল শুরু করে দিয়েছে তারা। দিকে দিকে বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটছে। তবে এবারের নির্বাচনের তৃণমূলের পরাজয়ের পর পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সরকার গঠন হলে বাংলায় যে হিংসাত্মক ভোটের সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে, এই সংস্কৃতিকে চিতায় তুলে দিয়ে শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের পরিস্থিতি তৈরি করা হবে বলেই বার্তা দিলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি।

২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রীতিমত সরগরম হয়ে উঠেছে রাজ্য রাজনীতি। বিভিন্ন জায়গায় বিজেপি প্রচার কর্মসূচির অঙ্গ হিসেবে পরিবর্তন যাত্রা বের করেছে। আর সেই পরিবর্তন যাত্রায় স্বভাব সিদ্ধ ভঙ্গিমাতেই হামলা করে ভয় দেখানোর চেষ্টা করছে তৃণমূল কংগ্রেস। যার ফলে সাধারণ মানুষজনের মধ্যেও আশঙ্কা তৈরি হয়েছে যে, এবারের ভোটে তো তৃণমূল ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য আরও বেশি করে সন্ত্রাসের আশ্রয় নেবে! এখন তাকে প্রতিহত করার বদলে যদি চুপচাপ বসে থাকে বিজেপি, তাহলে তো গণতন্ত্র বিপন্ন হয়ে যাবে। আর সেই আশঙ্কার মাঝেই পশ্চিমবঙ্গে যে ভোট সংস্কৃতি তৃণমূল কংগ্রেস তৈরি করেছে, যেভাবে ভোট মানেই হিংসা এবং মৃত্যুর ঘটনা ঘটে, ক্ষমতায় এসে বিজেপি এই সন্ত্রাসের সংস্কৃতিকে চিতায় তুলে দেবে বলেই জানিয়ে দিলেন শমীক ভট্টাচার্য।

এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্য বিজেপির সভাপতি। আর সেখানেই তিনি বলেন, “বিচ্ছিন্নভাবে প্রত্যেকটি জায়গায় তৃণমূল কংগ্রেস আমাদের কর্মীদের উপর হামলা করছে। তৃণমূল কংগ্রেস জানে, তারা চলে যাবে, তারা চলে গেছে। আর হামলা করেই যদি বিজেপিকে উঠিয়ে দেওয়া যেত, তাহলে ২০১৬ থেকে আমাদের ৩০০ জনের বেশি কর্মী খুন হয়েছেন। কিন্তু তারপরেও বিজেপি এই পশ্চিমবঙ্গে রয়েছে। আমরা চলে যেতে নয়, আমরা থাকতে এসেছি। আমরা ক্ষমতার পট পরিবর্তনের পর ওই স্বজন হারানো শ্মশানে তোদের চিতা আমি তুলবই। আমরা ওদের চিতা তুলব না। আমরা পশ্চিমবঙ্গের যে রাজনৈতিক সংস্কৃতি, যে ভোটের সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে, এই হিংসার সংস্কৃতিকেই আমরা চিতায় তুলে দেবো।”