প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস খুব ভালো মতই বুঝতে পেরেছে যে, এবার তাদের নির্বাচনে ভরাডুবি হবে। আর তাই লক্ষীর ভান্ডার থেকে শুরু করে যে সমস্ত অনুদান এই সরকারের পক্ষ থেকে দেওয়া হচ্ছে, এবার ভোটে হারলেই সেই সমস্ত অনুদান বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিতে শুরু করেছেন তৃণমূল নেতারা। কিন্তু এটা যে তাদের পৈত্রিক সম্পত্তি নয়, এটা যে মানুষের টাকাই মানুষকে দেওয়া হচ্ছে, এই সহজ সরল সত্যটা কেন তৃণমূলের নেতারা বুঝতে পারছেন না? কেন তারা মূর্খের স্বর্গে বাস করে মানুষকে এভাবে ভয় দেখাচ্ছেন? এর ফলে যে মানুষ তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবে, এটা তারা কেন অনুধাবন করছেন না? এই প্রশ্ন পাল্টা তুলতে শুরু করেছে বিরোধীরা। আর তার মাঝেই গতকাল একটি সভা থেকে পরাজয়ের আতঙ্কে তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লা ভোটে হারলে লক্ষীর ভান্ডারের মত অনুদান বন্ধ করে দেওয়ার হুমকি দিয়েছেন। যা নিয়ে তৈরি হয়েছে বিতর্ক। আর সেই বিষয়েই এবার পাল্টা কটাক্ষ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
গতকাল বিভিন্ন টেলিভিশন মিডিয়ায় তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লার একটি বক্তব্য সম্প্রচারিত হতে দেখা যায়। যেখানে শওকত মোল্লার মত তৃণমূল বিধায়ক আবার বড়াই করে বলছেন যে, এর আগে যে তিনটি অঞ্চলে হেরে গিয়েছিলেন, সেখানে বাড়ির টাকা নাকি তারা বন্ধ করে দিয়েছেন। আর ভবিষ্যতে তারা যদি কোনো অঞ্চলে হেরে যান, তাহলে সেখানে লক্ষ্মীর ভান্ডারের মত টাকা বন্ধ করে দেওয়া হবে। আর গর্ব করে একজন জনপ্রতিনিধি যেভাবে এই ধরনের হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন, তা কি সত্যিই শোভা পায়? তা নিয়ে পাল্টা উঠতে শুরু করেছে প্রশ্ন। এইভাবে মানুষকে ভয় দেখিয়ে কি আদৌ ভোট নিতে পারবে তৃণমূল কংগ্রেস? স্বাভাবিকভাবেই গোটা বিষয় নিয়ে এবার সেই শওকত মোল্লাকে ধুয়ে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।
এদিন তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লার মন্তব্য নিয়ে শুভেন্দুবাবুকে প্রশ্ন করা হয়। আর সেই ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “গুন্ডাদের ভাষার মত কথা। ও তো গুন্ডা। আর এটা আমি বলিনি। এটা তো পুলিশ মন্ত্রী নিজে বলেছেন। এই ব্যাপারে আর কি বলব? আমার মনে হয়, ত্বহা সাহেব এই ব্যাপারে ভালো উত্তর দিতে পারবে। ওনাকে এই ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা ভালো।”